Suvendu Adhikari: এবারের বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) দু'টি আসনে লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও ভবানীপুর (Bhabanipur), দুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছেন। এবার কোনও এক আসন ছেড়ে দিতে হবে। সেই আসনে পুনর্নির্বাচন হবে।

DID YOU
KNOW
?
সাংসদ-বিধায়ক শুভেন্দু
২০০৯ সালে প্রথমবার তমলুকের সাংসদ নির্বাচিত হন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর ২০১৬ সালে তিনি প্রথমবার নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের বিধায়ক নির্বাচিত হন।

Suvendu Adhikari News: নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম (Nandigram) না কলকাতার ভবানীপুর (Bhabanipur), কোন বিধানসভা আসন ধরে রাখবেন আর কোন আসনই বা ছেড়ে দেবেন শুভেন্দু অধিকারী? বুধবারও এ বিষয়ে ধোঁয়াশা কাটল না। কয়েকদিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দুই কেন্দ্রেরই বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারবেন না শুভেন্দু। তাঁকে কোনও এক আসন ছেড়ে দিতেই হবে। গতবার নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আর নন্দীগ্রামে প্রার্থী হননি মমতা। তিনি ভবানীপুরে প্রার্থী হন। শুভেন্দু নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী হন এবং ফের মমতাকে হারিয়ে দেন। নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু। তিনি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র (BJP) প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম দাবিদার। ফলে তিনি কোন কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে থাকবেন আর কোন কেন্দ্র অন্য কারও জন্য ছেড়ে দেবেন, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

কী বলছেন শুভেন্দু?

বুধবার নন্দীগ্রামে যান শুভেন্দু। সেখানে তিনি জানান, ‘আমার দলের কেন্দ্রীয় নেতারা যেটা ঠিক করবেন, সেটাই হবে। আমার মতামত যা-ই হোক, সেখানেই জানাব। আমি ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দু’জনকেই বলছি, আমি আমার কর্তব্য থেকে কিন্তু সরে যাব না। দু’টি কেন্দ্রের জন্যই আমার কর্তব্য আমি করব। বাকিটা আমার হাতে নয়।'

সংশয়ে শুভেন্দু

শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে আন্দোলন। এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) যুব নেতা। ২০০৯ সালে তিনি প্রথমবার সাংসদ হন। ২০১৬ সালে তাঁকে নন্দীগ্রামের বিধায়ক করেন মমতা। এরপর তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) ছেড়ে ২০২১ সালে ফের সেই নন্দীগ্রাম থেকেই বিধায়ক হন শুভেন্দু। এই কেন্দ্রের মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বহুদিনের। এই কারণে হয়তো নন্দীগ্রাম আসনই ধরে রাখতে চাইবেন তিনি। তবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা মেনে চলবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহূর্তে রাজ্য বিজেপি-র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।