বুধবার ফলতায় একটি জনকল্যাণ শিবিরে যোগ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যার জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতি তুঙ্গে। এর আগে তিনি আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। 

আজ বুধবার ফলতায় যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ফলতার শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশনের মাঠে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও দলীয় কর্মীদের মধ্যে জোর প্রস্তুতি চলছে ফলতায়। মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে সফল করতে মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য পরিকাঠামোগত কাজের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়েছে মঙ্গলবারই। গতকাল থেকেই সভাস্থলে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিকে এই জনকল্যাণ শিবির নিয়ে গতকাল একটি ভার্চুয়াল মিটিং করেছিলেন শুভেন্দু। জেলাশাসক, এসডিও, বিডিওদের সঙ্গে মিটিং করেন। মিটিং-এ নির্দেশ দেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেকটি প্রকল্পে যাতে পর্যাপ্ত আবেদনপত্র থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির মুখে না পড়ে সেটা দেখতে হবে। বিডিওদের বিশেষ দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন। তেমনই সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়লে তাদের সাহায্য করার কথা বলেন।

এদিকে আবার মঙ্গলবার জাহাঙ্গির খানের মুক্তির দাবিতে উত্তেজনা ছড়ায় ফলতায়। মঙ্গলবার ফলতার মল্লিকপুরের মামুদপুর, নওপুকুরিয়া, বোনহোগলা ও শতলকলসা এলাকা. আবার অবরোধ হয়। এর জেরে যান চলাচল বন্ধ ছিল। শেষে পুলিশি নিয়ন্ত্রনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাবনীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টে উপস্থিত হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ করেই তিনি হলফনামা দাখিল করেছেন।

এর আগে ২০২৬ সালের ১৪ মে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবার ভোট পরবর্তী অশান্তির মামলায় সওয়াল করতে গিয়েছিলেন। সেবার আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁখএ। এজলাস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বের হওয়ার সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর প্রায় ১ মাস পরেই ১৬ জুন মমতা আবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন।