পালানোর চেষ্টা করেও লাভ হল না। মোবাইলের টাওয়ার ধরে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল সুরজিৎ গাঙ্গুলীকে। জাতীয় স্তরের নাবালিকা সাঁতারুকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে।

সাঁতারু কোচের যৌন হেনস্থার ভিডিও প্রকাশ্য়ে আসতেই কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরণ রিজিজু। দেখা গেল বাস্তবেও তাই হল। অবশেষে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্ত কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলিকে। কদিন আগেই  নিজের ফেসবুক পেজে কোচের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করে সেই সাঁতারু। লুকোনো ক্যামেরায় সেই ছবি দেখে সারা দেশ। পরে রিষড়ার বাসিন্দা ১৫ বছরের ওই সাঁতারুর অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয় রিষড়া থানার পুলিশ। তদন্তে নামেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দারা। যদিও পুরো ঘটনাটা গোয়ায় হওয়ায় গোয়া পুলিশ আলাদা করে তদন্তে নামে। শেষে শুক্রবার বিকেলে দিল্লির কাশ্মীরি গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলিকে। এই বিষযে নর্থ গোয়া জেলার পুলিশ সুপার উৎকৃষ্ট প্রসূন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কোচের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্যাগ করা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে দিল্লি পুলিশের সাহায্যে গ্রেফতার করা হয় তাকে।  

রিষড়ার বাসিন্দা ওই সাঁতারু গোয়ার হয়ে খেলত।জাতীয় এবং রাজ্য সাঁতারে অনেক পদক রয়েছে তার। কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলী তাকে কোচিং করাতেন। সেই সুরজিৎ গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর থেকে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অভিযোগকারী সাঁতারুর পাশে থাকার আশ্বাস দেন।  মন্ত্রী নির্দেশে দেশের কোনও সাঁতার ফেডারেশনে আর কোচিং করানোর সুযোগ পাবে না অভিযুক্ত কোচ। বর্তমানে গোয়া সুইমিং অ্য়াসোসিয়েশনে কোচিং করাতেন সুরজিৎ। অভিযোগ সামনে আসার পরই গোয়ার সাঁতার ফেডারেশন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে।