আশিষ মণ্ডল, বীরভূম: স্রেফ কর্মীদের জন্য় নয়, করোনা পরিস্থিতিতে পূর্ণ্যার্থীদের কথা ভেবে এবার হাওড়া ও শিয়ালদহ স্পেশাল ট্রেন চালানোর আবেদন জানাল তারাপীঠ মন্দির কমিটি। কমিটির তরফে রেলকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: মহামারী আতঙ্কে বেলুড় মঠে এবারে সন্ন্যাসীরা নন, কুমারীকে কোলে করে মণ্ডপে আনবে বাড়ির লোক

করোনা আতঙ্কের মাঝে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দ ফিরছে জনজীবনে। সম্প্রতি আনলক ৫-এর নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নয়া নির্দেশিকায় কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরে সিনেমা হল, থিয়েটার, মাল্টিপ্লেক্স, এমনকী, বিনোদন পার্কগুলি খোলার অনুমতি মিলেছে। কিন্তু লোকাল ট্রেন পরিষেবা কবে থেকে চালু হবে? তা এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত স্রেফ কর্মীদের জন্য় হাতগোনা কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল।

এদিকে আনলক পর্বে ২৮ অগাস্ট থেকে ফের খুলে গিয়েছে তারাপীঠ মন্দির। তবে পূর্ণ্যার্থীদের আনাগোনা নেই বললেও চলে। কারণ, করোনা আতঙ্কের কারণে এখনও লোকাল ট্রেন চালু হয়নি। ফলে ইচ্ছা থাকলেও তারাপীঠে আসতে পারছেন না অনেকেই। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, 'কলকাতা থেকে গাড়িতে চেপে আসা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। বেশির পূর্ণ্যার্থীই ট্রেনে করে তারাপীঠে আসেন। মন্দিরকে কেন্দ্র করে এলাকা চারশোর বেশি লজ চলে। পূর্ণ্যার্থীদের অভাবে লজগুলিও এখন বন্ধ। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। পূর্ব রেলের হাওড়ার ডিভিশনাল ম্যানেজার ও রাজ্য সরকারের কাছে স্পেশাল ট্রেন চালানোর আবেদন করেছি।' হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাট পর্যন্ত দিনে দুটি স্পেশাল ট্রেনের দাবি জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বন্দিদশাতেও সচল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট বিজেপি নেতার

তারাপীঠ মন্দির কমিটির দাবি সমর্থন করেছেন স্থানীয় লজ মালিকরাও।  লজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, 'ট্রেন চালু না হলে লজ ব্যবসা চলবে না। এখনও বহু লজ বন্ধ রয়েছে। ফলে লজের কর্মীরা কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাই মন্দির কমিটির সঙ্গে আমরাও আবেদন করব ট্রেন চালানো হোক।'