কিছুদিন ধরেই পোলবার জারুরা গ্রামের হাঁস-মুরগি গায়েব হয়ে যাচ্ছিল   সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বাঘ ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন বাসিন্দারা   খাঁচা পেতেছিলেন গ্রামবাসীরা, আর তাতেই ধরা পরলো একটি বাঘরোল   কিছুদিন আগে গত মাসে  কোন্ননগরের কানাইপুরেও একই ঘটনা ঘটে  

 খাঁচায় বন্দী বাঘরোল। কানাইপুরের জন্তুটি ধরা পড়েনি। ঘটনাটি ঘটেছে পোলবার জারুরা গ্রামে। শুধু সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অবশেষে বিভ্রান্তি ছড়াল। সেটি বাঘ বলে গুজব ও ছড়িয়েছিল। কিন্তু শেষ অবধি দেখা গেল সেটি একটি বাঘরোল অর্থাৎ ফিসিং ক্যাট।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, শ্মশানের সৎকার থেকে দেহ উদ্ধার, ময়নাতদন্তে পাঠাল পুলিশ


 সূত্রের খবর, গত কয়েকদিন ধরেই পোলবার জারুরা গ্রামের গৃহস্থের হাঁস-মুরগি গায়েব হয়ে যাচ্ছিল। আর তা করছিলো অজানা কোনো প্রাণী। নিদ্রাহীন ভাবে আতঙ্কের সঙ্গে দিন কাটছিল গ্রামবাসীদের। কি প্রাণী চোখে না দেখলেও তাকে ধরতে খাঁচা পেতেছিলেন গ্রামবাসীরা। আর তাতেই ধরা পরলো একটি বাঘরোল। স্বস্তি ফিরল গ্রামে। খাঁচাবন্দি বাগরোল দেখতে সকাল থেকেই ভিড় জমান আশেপাশের এলাকার মানুষজন। খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে। প্রাণীটির যাতে কোনো ক্ষতি না হয় তার জন্য খবর পেয়েই পোলবা থানার পুলিশ হাজির হয় গ্রামে।

আরও পড়ুন, সামান্য সাইকেলের ধাক্কা, ছেলের সামনেই পিটিয়ে মারা হল বাবাকে

রিষড়া বাগখাল এলাকাতেও দূর্ঘটনায় একটি বাঘরোলের মৃত্যু হয়েছিলো। আর তা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা বিভ্রান্তি ছড়ায়।বন দপ্তর থেকে জানানো হয় হুগলির এই সব এলাকায় ফিসিং ক্যাট বা বাঘরোল থাকে। যারা মানুষের কোনো ক্ষতি করে না।দিন দিন এই প্রাণীর সংখ্যা কমছে। আপাতত বন দফতরে র আধিকারিক দের অপেক্ষায় গ্রামবাসীরা । তাঁরা এলেই বাঘরোল টি কে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কিছুদিন আগে গত মাসে কোন্ননগরের কানাইপুরেও একই ঘটনা ঘটে। কানাইপুরের বাসিন্দারা দাবি করেছিলেন যে তাদের এলাকায় একটি আস্ত চিতাবাঘ ঢুকে পড়েছে। সেইবারও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আতঙ্কে কাটা হয়ে পড়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবশেষে বিশেষজ্ঞদের কথাই সত্য়ি হয়। যে প্রাণীটিকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যে প্রাণীটিকে বাঘ বলে ভুল করা হচ্ছে, সেটি আসলে বাঘরোল।