খড়গপুরে ভোট প্রচারের শুরুতেই নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে মিছিলে দেখা গেল উট কাঁধে পতাকা লাগিয়ে উটকে ঘোরানো হল শহরে কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থীর

সংসদীয় রাজনীতিতে ভোট বড় বালাই। আর ভোটে জিততে গেলে প্রচার তো করতেই হবে। খড়গপুরে ভোটের প্রচার শুরু হতেই কিন্তু নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ উঠল! অভিযুক্ত খোদ শাসকদলের প্রার্থী প্রদীপ সরকার। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থী চিত্তরঞ্জন মণ্ডল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আগামী ২৫ নভেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। নির্বাচনে লড়াই দ্বিমুখী। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছেন বাম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থী চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। দিন কয়েক আগে মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শাসকদলের প্রার্থী। দলের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে মিছিল করে মনোনয়নপত্র পেশ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই মিছিলে বন্যপ্রাণীদেরও দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে তৃণমূলের মিছিলের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন খড়গপুর সদর কেন্দ্রের বাম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থী চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পিঠে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা অবস্থায় খড়গপুর শহরের রাস্তায় ঘুরছে উঁটও! প্রসঙ্গত, নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, ভোটের প্রচারে বন্যপ্রাণীদের ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থী চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। 

এদিকে ভোটের প্রচারে বন্যপ্রাণীদের ব্যবহার করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খড়গপুর সদর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। তাঁর দাবি, দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। মিছিলে বন্যপ্রাণীদের ব্যবহার করা হয়নি। কমিশন যদি জবাব তলব করে, তাহলে নিজের বক্তব্য জানিয়ে দেবেন।

গত বিধানসভা ভোটের খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু লোকসভা ভোটেও ফের প্রার্থী হন তিনি। মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাই খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। একই কারণে উপনির্বাচন হচ্ছে নদিয়ার করিমপুর, উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ বিধানসভাকেন্দ্রেও।