দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে বরফ গলল। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন তৃণমল বিধায়ক বেচারাম মান্না। তাঁর অনুগামীদের দাবি, হরিপালের তৃণমূল বিধায়কের ক্ষোভের কথা গুরত্ব দিয়েছে শুনেছেন দলের রাজ্য় সভাপতি। সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা, রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ার

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা তঙ্গে, তখন আচমকাই সংবাদ শিরোনামে চলে আসেন হুগলির হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। কেন? তৃণমূলের অন্দরের খবর, দলের সিঙ্গুর ব্লক সভাপতি পদে ফের মহাদেব দাসকে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল তৃণমূলের হুগলি জেলা কমিটি। এমনকী, বেচারামে বিরোধী বলে পরিচিত আরও এক নেতাকে হরিপালের ফিরিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই দু'টি সিদ্ধান্তে মেনে নিতে পারেননি হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। এতটাই ক্ষুদ্ধ হন যে, ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: তেজস্বীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা মমতার, 'নীতিশ পিছনের দরজা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন' বলে অভিযোগ

সত্যি সত্যিই কি ইস্তফা দিতে চলেছেন বিধায়ক বেচারাম মান্না? জোর জল্পনা শুরু হয়ে রাজ্য় রাজনীতিতে। এরপরই নড়চড়ে বসে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনের দলের বিক্ষুদ্ধ বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। আর তাতেই কাজ হল।