লক্ষ্য একুশের বিধানসভা ভোট। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিকে পিছনে ফেলতে মরিয়া তৃণমূল। এই অবস্থায় নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচাতে নতুন করে কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এই অবস্থায় বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠী কোন্দল। দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে পড়লেন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত মিত্র। প্রকাশ্যে দলীয় বিধায়েক বিরুদ্ধে মন্তব্য করার ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল।

আরও পড়ুন-কী পেয়েছি-কী পায়নি-কোনটা বেশি প্রয়োজন, তৃণমূলের শক্তি ফেরাতে পুরুলিয়ায় সোহম

বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত মিত্র প্রকাশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রানিবাঁধের তৃণমূল বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও তাঁর স্বামী এলাকায় দুর্নীতি করছেন। বিধায়য়কে দূরাত্মা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিধায়ক নিজে কাজ না করে কিছু দালালকে দলে জায়গা করে দিতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন জয়ন্ত মিত্র। পাশাপাশি, পঞ্চায়েত দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরাকেও কটাক্ষ করেন তিনি।

আরও পড়ুন-জঙ্গল লাগোয়া গ্রামে পূর্ণবয়স্ক হাতির দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য, মেদিনীপুরে আতঙ্ক

প্রকাশ্যে এই মন্তব্যের জেরে তীরের গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় জয়ন্ত মিত্রের মন্তব্য। এরপরই বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলে গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। জেলা জুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে তৃণমূল। সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগে বাঁকুড়া জেলা কমিটিতে ব্যাপক রদবদল হয়। সেখানে জয়ন্ত মিত্রকে কার্যকরী সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে সাধারণ সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়। এরপরই প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন জয়ন্ত মিত্র। এলাকার বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি সহ তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে তীব্র অস্বস্তিতে পড়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ঢোক গেলেন জয়ন্ত মিত্র। তাঁর এই মন্তব্য আবেগে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, বিষয়টি দলের অভ্য়ন্তরীন বিষয়,ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি।

আরও পড়ুন-আসন্ন বিধানসভা ভোটে ২২০টি আসন পেয়ে সরকার গড়বে বিজেপি, দাবি শাহর সমীক্ষা রিপোর্টে