অর্জুন সিংয়ের ভাটপাড়াও এবার চলে যেতে পারে তৃণমূলের দখলে। সলতে পাকানোর কাজ  শুরু হয়েছিল বেশকিছু দিন । এবার তাতে সিলমোহর দিল তৃণমূল নেতৃত্ব।

লোকসভা ভোটে বিজেপির অপ্রত্যাশিত  সাফল্যের পরই ঘটেছিল পরিবর্তন। এক এক করে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা নিজেদের দখলে নিয়েছিল বিজেপি। সেই তালিকায় অন্যতম নাম ছিল অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক ভাটপাড়া পুরসভা। গত জুন মাসে এই ভাটপাড়া পুরসভা নিজেদের দখলে নেয় বিজেপি। পুরপ্রধান হন সৌরভ সিং। তিন  উপনির্বাচনে তৃণমূল জয়লাভের পর ফের রাজ্যে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে ঘাসফুল। যার জেরে একে একে তৃণমূল নেতাদের ঘরওয়াপসি শুরু হয়েছে। 

ভোটে হেরে পার্টি অফিসে এলাহি খাওয়া-দাওয়া, কর্মীদের রোষের মুখে বিজেপি নেতারা

ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তৃণমূলের অনেক নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েও ফের তৃণমূলে ফিরে এসেছেন। এর আগেই ব্যারাকপুরে ফেরত তৃণমূল নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শোনা যাচ্ছে, আগামী ৬ ডিসেম্বর তারই ফলে পেতে চলেছে তৃণমূল। ওই দিনই ভাটপাড়া পুরসভার প্রধান সৌরভ সিংয়ের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব আনবে তৃণমূল। নিয়ম অনুসারে কোনও পুরসভা গঠনের ৬মাসের পরই নতুন করে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যেতে পারে। সেই অনুযায়ী ৬ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে ভাটপাড়া পুরসভার ৬মাস। তাই ওইদিনই অনাস্থা আনার চিঠি দেবে  তৃণমূল। 

পশ্চিমি ঝঞ্ঝা কাটলেই ডিসেম্বরে ফিরবে শীত, জানালেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা

পুরসভার নিয়ম অনুসারে অনাস্থা আনার ১৫ দিনের মধ্যে শক্তি প্রদর্শনে মিটিং ডাকতে হবে পুরপ্রধানকে। সেই মেয়াদ চলে গেলে সুযোগ পাবেন উপপ্রধান। ৭দিনের মধ্যে শক্তি প্রদর্শনের মিটিং ডাকতে হবে তাঁকে। এরপরও কোনও সুরাহা না হলে যেকোনও তিন কাউন্সিলর বোর্ড গঠনের মিটিং ডাকতে পারেন। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছে, ভাটপাড়া পুরসভার জন্য প্রয়োজনীয় ১৮ টি আসন রয়েছে তাঁদের কাছে।  এমনিতে বোর্ড গঠনের জন্য ৩৫ আসন বিশিষ্ট ভাটপাড়া পুরসভায় প্রয়োজন ১৭টি  আসন। যদিও বিজেপি দাবি করেছে, তাঁরা বোর্ড ভাঙতে দেবেন না। বোর্ড ধরে রাখার মতো আসন সংখ্যা রয়েছে তাদের কাছে।