চলতির বছরের প্রথম দিনেই এনক্নোজার থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল চিতাবাঘ। আর বছরের শেষে বাঘের এনক্লোজারে বিকল হয়ে গেল পর্যটক বোঝাই বাস। ফের বিপত্তি ঘটল শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে। প্রায় পঁয়তাল্লিশ বাঘের এলাকায় আটকে ছিলেন পর্যটকরা। শেষপর্যন্ত তাঁদের উদ্ধার করেন সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।

শিলিগুড়ি শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান বেঙ্গল সাফারি পার্ক। পার্কে নির্দিষ্ট জায়গায় বা এনক্লোজারে ঘুরে বেড়ায় বাঘ, সিংহের মতো বন্যজন্তুরা।পশুদের খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয় না। পার্কে সাফারি বা পর্যটকদের বাসে চাপিয়ে ঘোরানোরও ব্যবস্থা আছে।  আর তাতেই ঘটল বিপত্তি।  জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে যখন বাসে চাপিয়ে পর্যটকদের বাঘের এনক্লোজারটি ঘুরিয়ে দেখানো হচ্ছিল, তখনই এনক্লোজারের ভিতর বাসটি আচমকাই বিকল হয়ে যায়! ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিটে সাফারি পার্কে বাঘের বিচরণক্ষেত্রেই দাঁড়িয়েছিল পর্যটক বোঝাই বাসটি। শেষপর্যন্ত বাসটিকে নিরাপদ জায়গা নিয়ে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধারের ব্যবস্থা করে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। 

আরও পড়ুন: বুলবুল-এর ধাক্কায় ডুবতে বসেছে তিন দ্বীপ, সুন্দরবন নিয়ে চিন্তা পরিবেশবিদদের

জানা গিয়েছে, বেঙ্গল সাফারি পার্কের বাসের সংখ্যা ১০টি। প্রতিটি বাসের নির্দিষ্ট একজন চালকও থাকেন। কোনও কারণে যদি সেই চালক ছুটি নেন, সেক্ষেত্রে বিকল্প অন্য একজন বাসটি চালান।  যে বাসটি বাঘের এনক্লোজারে বিকল হয়ে গিয়েছিল, সেই বাসটির চালাচ্ছিল বিকল্প চালক।  যদিও  তাতেও কোনও সমস্যা হয়নি বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি বেঙ্গল সাফারি পার্ক থেকে একটি চিতাবাঘ পালিয়ে গিয়েছিল। তখন অবশ্য পার্কে কোনও পর্যটক ছিলেন না। পার্কে খোলার আগেই ঘটনাটি নজরে পড়ে যায় টহলদারি দলের। সাফারি পার্ক থেকে চিতাবাঘ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল শিলিগুড়িতে। শেষপর্যন্ত অবশ্য চিতাবাঘটির খোঁজ মেলে। পশুকে উদ্ধার করে ফের সাফারি পার্কে আনা হয়।