শিলিগুড়ি মহাকুমার ফুলবাড়ি এলাকায় নাকা চেকিং করার সময় অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সহ একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।   ধৃত মিঠুন বর্মনের বাড়ি বীরপাড়া এলাকায়। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে তার কাছ থেকে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর ধৃত ওই ব্যক্তি অপরাধ করতেই এসেছিল শিলিগুড়ি তবে শহরে তবে তার বড় কোন ছক ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন, চিকিৎসার গাফিলতিতে প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ , মালা পরিয়ে অভিনব প্রতিবাদ হাসপাতালে

অপরদিকে শিলিগুড়ির বাইপাসের একটি মোবাইলের দোকানে চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে বিরাট সাফল্য পেল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের নিউ জলপাইগুড়ি থানা। প্রসঙ্গত শিলিগুড়ি ইস্টার্ন বাইপাস এলাকায় একটি মোবাইল দোকানে কিছুদিন আগেই চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় খোয়া যায় বেশ কিছু নতুন মোবাইল সহ দোকানে থাকা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী। বিষয়টি নিয়ে দোকান মালিক নিউ জলপাইগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ঘটনা তদন্ত শুরু করে নিউ জলপাইগুড়ি থানা সাদা পোশাকের পুলিশ। এরপরই তদন্ত সূত্রে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ বানারহাট থেকে ২৯ জানুয়ারি রাজা রায় নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। পরে সেই দুষ্কৃতী কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নিউ জলপাইগুড়ি থানার সাদা পোশাকের পুলিশ বাহিনী আরও দুই দুষ্কৃতীর নাম পায়। এরপরে ওই দুই দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ। অবশেষে গত সোমবার রাতে পুলিশ এই ঘটনায় সাফল্য পায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় ধৃত দুই দুষ্কৃতীর নাম দীপ্তি কান্ত মিশ্র এবং অর্জুন সাহানি।এরপরে অভিযুক্তদের জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।

আরও পড়ুন, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেতুর থামে ফাটল, আতঙ্ক ছড়াল নামখানায়

সূত্রের খবর, পরবর্তীতে পুলিশ ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অভিযুক্তরা চুরির ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং চুরি করা সমগ্ৰ মোবাইল বিভিন্ন জায়গাতে বিক্রি করে দেওয়া হয় তারা পুলিশকে জানায়। রবিবার নিউ জলপাইগুড়ি থানায় শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার(জোন ১) এর দায়িত্বে থাকা এসিপি সুরিন্দর সিং সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এই ঘটনায় পুলিশ চুরি যাওয়া সাতটি মোবাইল উদ্ধার করেছে তার পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একটি এলইডি টিভি। পাশাপাশি ধৃতরা বড় কোন চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে । রবিবার  ধৃতদের পাঁচদিনের রিমান্ড শেষ হওয়ায় ফের জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়েছে।