দিন কয়েক আগে গুলি চলেছিল সিএএ বিরোধী প্রতিবাদে। আর এবার বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লেন গ্রামবাসীরা। ফের রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী।  গ্রামবাসীদের লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয় অভিযোগ।

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত খুব বেশি দূরে নেই। রবিবার সকালে যখন গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, তখন সীমান্তে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের পথ আটকান বলে জানা গিয়েছে। আর তাতেই ক্ষেপে ওঠেন গ্রামবাসীরা। বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে রীতিমতো তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মহিলারা যখন এগিয়ে আসেন, তখন হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দু'জন মহিলাকে বেধড়ক মারধর করেছেন বিএসএফ জওয়ানরা। দু'পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় এলাকা। এরইমধ্যে আবার জওয়ানরা গুলি চালান বলে অভিযোগ। গুলি ছিটকে পড়ে গিয়ে পড়ে একটি গোয়ালঘরে, দাউদাউ করে আগুন লেগে যায়।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে গিয়ে হিমশিম খান পুলিশকর্মীদের। বস্তত, পুলিশের সামনেই গ্রামবাসীদের সঙ্গে বিএসএফ জওয়ানদের সংঘর্ষ চলে।  পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে, এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী। কিন্তু গ্রামবাসীদের আতঙ্ক কাটেনি।  তাঁদের আশঙ্কা, রাতে গ্রামে হামলা চালাতে পারেন বিএসএফ জওয়ানরা।

আরও পড়ুন: বালুরঘাটের পর এবার বর্ধমান, ঘরের ভিতরে বিস্ফোরণে আহত বৃদ্ধা

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে সিএএ বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জলঙ্গীতে সংঘর্ষে ছড়িয়ে পড়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস।  গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এক ব্যক্তি, আহত হন বেশ কয়েকজন। ঘটনার দিন জলঙ্গীর সাহেবপাড়ায় সিএএ প্রতিবাদে ধরনায় বসেছিলেন কংগ্রেস কর্মীরা। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করলে, প্রতিবাদ করেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। এই নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।