বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের আগেই বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। নির্বাচনের দু’দিন আগে পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যে বিচারানাধীন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এক্ষেত্রে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে এই নির্দেশ জারি করেছে।
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের আগেই বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। নির্বাচনের দু’দিন আগে পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যে বিচারানাধীন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এক্ষেত্রে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে এই নির্দেশ জারি করেছে। রাজ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোট রাজ্যের যে সব এলাকায় রয়েছে, সেখানকার যে বিচারানাধীন ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে যাঁদের নাম ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়পত্র দেবে ট্রাইবুনাল, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। দ্বিতীয় দফার ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা ২৭ এপ্রিল। ওই দিন পর্যন্ত ট্রাইবুনালে ছাড়পত্র পাওয়া ভোটাররা দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে পারবেন। তবে ট্রাইবুনাল যাদের আবেদন খারিজ করে দেবে, তাঁরা আর ভোট দিতে পারবেন না।
মোট বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩। বিবেচনাধীন ভোটার তালিকা থেকে নাম উঠেছে ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়েছিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম। অর্থাৎ, মোট বাদ পড়ার সংখ্যা ৯০ লক্ষ ছাড়াল (৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫)। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে ২৯ এপ্রিল। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, দু’দফায় ভোটের আগেই ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের আরও নির্দেশ, প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্টারি ইলেকটোরাল রোল প্রকাশ করতে পারে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ যে কজনের নাম ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের নাম নিয়ে একটা তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
রাজ্যে বিবেচনাধীন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের মধ্যে ২৭ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন। এই সংক্রান্ত অভিযোগগুলোর সুরাহা করতে গঠিত ট্রাইব্যুনালটি জোকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। ১৬টি ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গেলেও তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটার এবং তাঁদের আইনজীবীরা এখনও এক ধরনের বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের মনে প্রশ্ন, শুনানির জন্য তাঁদের কীভাবে তলব করা হবে এবং এই ট্রাইব্যুনালগুলো যে রায় বা নির্দেশ জারি করবে, তা তাঁরা কোথায় দেখতে পাবেন।
