WB Assembly: তবে এটা কিন্তু প্রথম নয়। ভোটে জয়ের পর, মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয় সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে। গত ৪ মে, নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই সেখানে মাছ-ভাত খাওয়ানো হয় কর্মীদের। আসলে ভোটের আগে বিজেপি মাছ-ভাত বিরোধী বলে এত কটাক্ষ শুনেছে, এবার যেন তারা প্রমাণ করে দিল যে, সেইসব ছিল সম্পূর্ণ গুজব।
WB Assembly: ‘১৬ আনা বাঙালিয়ানা’-র ছোঁয়া রাজ্য বিধানসভা (WB Election Result 2026)। বুধবার ছিল বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেইদিনই দুপুরে, লাঞ্চের মেনুতে মাছ-ভাতের বন্দোবস্ত। শপথ নিতে যাওয়া বিজেপি বিধায়কদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে রাখা হয়েছে মাছ-ভাত। ভরপুর এই বাঙালিয়ানা উদ্যাপনের প্রধান উদ্যোক্তা হলেন রাজ্য বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার তথা মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় (WB Assembly)।

বিধানসভায় বিধায়কদের শপথের দিন লাঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া
তবে এটা কিন্তু প্রথম নয়। ভোটে জয়ের পর, মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয় সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে। গত ৪ মে, নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই সেখানে মাছ-ভাত খাওয়ানো হয় কর্মীদের। আসলে ভোটের আগে বিজেপি মাছ-ভাত বিরোধী বলে এত কটাক্ষ শুনেছে, এবার যেন তারা প্রমাণ করে দিল যে, সেইসব ছিল সম্পূর্ণ গুজব।
বিজেপিও জিতল এবং বাঙালি মাছ-মাংস-মাছ সবই খাচ্ছে। তৃণমূলের প্রচার ডাহা ফেল। আরও একবার প্রমাণিত। কিন্তু তৃণমূলের সেই দাবিকে কার্যত, নস্যাৎ করে দিয়ে বিজেপি প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, তারা আসলে বাঙালি বা বাংলা বিরোধী নয়। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতিকেও সম্মান করে, সেটাই প্রমাণ করতে মরিয়া তারা। এমনকি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ভোটের প্রচারে এসে মাছের প্রসঙ্গ তোলেন।
বিজেপির আমলে মাছে-ভাতে বাঙালি
বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল যে মাছবিরোধী ট্যাগলাইন জুড়ে দেয়, ক্ষমতায় এসে সেই মাছ-ভাতের আয়োজন করেই পাল্টা বার্তা দিতে চাইল বিজেপি। তারা বোঝাতে চাইল যে, একেবারেই বিজেপি মাছ বিরোধী নয়। তাই ভোটে জেতার পরেও দেখা গেছে যে, সল্টলেকে দলের রাজ্য দফতরে মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয়েছে। এবার সেই মাছ-ভাত এবং বাঙালিয়ানা পৌঁছে গেল বিধানসভার অন্দরেও।
বিজেপি সরকারের আমলে বাঙালি যে মাছে-ভাতেই থাকবে, সেটাই যেন মুচকি হেসে বুঝিয়ে দিলেন বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
