AITC Corruption: গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের ছোট-মাঝারি-বড়, সব স্তরের নেতাদের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই এই নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অনেক নেতা কাটমানি ফেরত দিচ্ছেন। তবে কেউ কেউ এখনও ক্ষমতার আস্ফালন করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে।

DID YOU
KNOW
?
কাটমানি ফেরতের দাবি
রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের কাছ থেকে কাটমানি ফেরত চাইছেন বহু মানুষ।

Malda News: সরকারি তালিকায় নাম ছিল। ব্লক প্রশাসনের সমীক্ষাও হয়েছিল। কিন্তু সরকারি আবাস প্রকল্পে বাড়ি পেতে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে ৩০ হাজার টাকা কাটমানি দেওয়ার পরেও মেলেনি মাথা গোঁজার ঠাঁই। সরকারি প্রকল্পে বাড়ি না পাওয়ায় টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হল উপভোক্তাকে। টাকা ফেরতের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) পরিচালিত মালদার চাঁচলের ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বঞ্চিত উপভোক্তারা। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যদিও নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত রকম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান আলো মহলদার ও তার স্বামী রাজু মহলদার। তাঁদের দাবি, চক্রান্ত করে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ‘গরিব মানুষের টাকা যারা লুট করেছে তাদের স্থান জেলখানায়। উপভোক্তাদের বলব প্রত্যেকে নির্ভয় অভিযোগ করুন। আপনাদের পাশেই আছি,’ বলেছেন মালদা জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ শর্মা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কাটমানির অভিযোগ

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পেতে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে ৩০ হাজার টাকা কাটমানি দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা মনোবারুল হক। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি বাড়ি। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই টাকা ফেরত চাইতেই হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে ওই উপভোক্তাকে। এই অভিযোগে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

বিপুল অঙ্কের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ

শুধু মনবারুল নয় কয়েকশো উপভোক্তার কাছ থেকে ঘর দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের কাটমানি তুলেছেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। কারও কাছ থেকে ৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, আবার কারও কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। সরকারি প্রকল্পের বাড়ি না মেলায় টাকা ফেরতের দাবি জানালে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর হুমকির মুখে পড়ছেন উপভোক্তারা। শেষমেষ বাধ্য হয়ে প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় দারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।