হিমেল হাওয়ার আবহে গাঙ্গেয় উপকূলের পার্শ্ববর্তী ও পার্বত্য এলাকায় শিশির বা কুয়াশা জমতে দেখা যেতে পারে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের বেলায় আকাশ অংশত মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেটে গেছে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। কিন্তু, কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ থেকে সরছে না ঘন মেঘ। দীপাবলির সকাল রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ থাকলেও ২৭ এবং ২৮ অক্টোবর দিনের বেলায় আকাশে মেঘ আর রোদের পাশাপাশি অবস্থান চোখে পড়েছে শহর কলকাতায়। তাপমাত্রা কিছুটা কমের দিকে থাকলেও আবহাওয়া দফতর কিন্তু এখনও শীতের আগমনী শোনাচ্ছে না।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আসন্ন নভেম্বরের প্রায় মাঝামাঝি সময় থেকে শীত পড়তে শুরু করবে পশ্চিমবঙ্গে। আপাতত পরিষ্কার আকাশ দেখা গেলেও, বাতাসে ঠাণ্ডার আমেজ সত্ত্বেও পুরোপুরি শীত পড়ছে না রাজ্যে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের কোনও কোনও জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুই দিনাজপুর, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির আবহাওয়া আপাতত শুকনোই থাকবে।

শীত না এলেও হিমেল হাওয়ার আবহে গাঙ্গেয় উপকূলের পার্শ্ববর্তী ও পার্বত্য এলাকায় শিশির বা কুয়াশা জমতে দেখা যেতে পারে। আপাতত চার-পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দিচ্ছে না মৌসম ভবন। আগামী চার-পাঁচ দিন পশ্চিমবঙ্গে উত্তুরে হওয়ার আগমন ক্রমশ বাড়বে বলে জানা গেছে। এখনও পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে কোনও ঘূর্ণাবর্ত না থাকায় দক্ষিণা বাতাসের প্রভাব কম হবে।

যদিও উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাব দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে আগামী বেশ কয়েকদিন ধরে। ২৮ অক্টোবর শুক্রবার কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের বেলায় আকাশ অংশত মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোরের দিকের পরিবেশ হতে পারে কুয়াশায় ঢাকা। বেলা বাড়লে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। শুক্রবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এর আগে বৃহস্পতিবার কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। সেই তুলনায় আজ বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা অনেকটা কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। তাই, শীত না এলেও শীতের পরশ যে শহরকে ছুঁয়ে ফেলেছে ইতিমধ্যেই, তার প্রভাব জানান দিচ্ছে তাপমাত্রা এবং ভোরের কুয়াশা।

আরও পড়ুন-
অমিত শাহের বৈঠকে মমতা, মোদীর বৈঠকেও মমতা, তৃণমূল সুপ্রিমোর অবস্থান নিয়ে কী বলছে বাম-কংগ্রেস?
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ! ৮ নভেম্বর মস্কোয় পা রাখতে চলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর
টুইটারের মালিকানা গেল ইলন মাস্কের হাতে, সঙ্গে সঙ্গে ছাঁটাই হয়ে গেলেন পরাগ আগরওয়াল সহ বহু উচ্চপদস্থরা