WB Election 2026 Poll Percentage: প্রথম দফার ভোট শেষের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর এল চূড়ান্ত হিসেব। প্রথম দফায় ভোটদানের চূড়ান্ত হার দাঁড়াল ৯৩.১৯ শতাংশ। পাহাড়ের এই দুটি জায়গা ছাড়া প্রথম দফায় রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। 

WB Election 2026 Poll Percentage: প্রথম দফার ভোট শেষের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর এল চূড়ান্ত হিসেব। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোটদানের চূড়ান্ত হার দাঁড়াল ৯৩.১৯ শতাংশ। সব কটি বুথের তথ্য খতিয়ে দেখার পর নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, প্রথম দফায় রাজ্যের ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ ২২ হাজার ১৬৮ জন মানুষ ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৬৫ লক্ষ ৪০ হাজার ০৬৫ জন। আর পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৭০ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৪৯ জন। প্রসঙ্গত, প্রথম দফায় মোট ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩০৪ জন নাগরিক ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত ছিলেন। জেলাগুলির মধ্যে শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কোচবিহারে। উত্তর বাংলার এই জেলায় ৯৬.২০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। শতাংশের বিচারে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কালিম্পং (৮৩.০৪%)ও দার্জিলিং (৮৮.৯৮%)-য়ে। পাহাড়ের এই দুটি জায়গা ছাড়া প্রথম দফায় রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এমন পরিসংখ্যান বঙ্গ ভোটের ইতিহাসে একেবারে বিরলই বলা চলে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পাহাড় বাদে প্রথম দফায় রাজ্যের সব জেলায় ভোটদানের হার কত

পাহাড় বাদে উত্তরবঙ্গের চার জেলা আলিপুরদুয়ার (৯৩.২%), জলপাইগুড়ি (৯৪.৭৬%), কোচবিহার (৯৬.২০ শতাংশ), উত্তর দিনাজপুর (৯৪.১৬%), দক্ষিণ দিনাজপুর (৯৫.৪৪%) ও মালদা (৯৪.৭৯%)-য় রেকর্ড ভোট পড়ে। মুর্শিদাবাদে ভোটদানের হার ছিল ৯৩.৬৭ শতাংশ। পশ্চিমের থেকে পূর্ব মেদিনীপুর সামান্য বেশি ভোট পড়ে। শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় ৯২.৭৫% ভোট পড়ে। সেখানে পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোটদানের হার ৯২.১৯ শতাংশ। জঙ্গলমহলের তিন জেলা ঝাড়গ্রাম (৯২.১৬ শতাংশ), পুরুলিয়া (৯১.৫৯ শতাংশ) ও বাঁকুড়া (৯২.৫৫ শতাংশ)-য় ভোটের দিন রেকর্ড গরম পড়লেও ইভিএমে ঢেলে রায় দেয়। বীরভূমেও ৯৪.৫১ শতাংশ ভোট পড়ে। সেই তুলনায় কিছুটা ভোট কম পড়লেও পশ্চিম বর্ধমানে ভোটদানের হার ছিল ৯০.৩২ শতাংশ।

রেকর্ড ভোট কি প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার সুনামির ইঙ্গিত

সব মিলিয়ে একটা কথা পরিষ্কার SIR-এর স্বচ্ছ ভোটার তালিকা, কমিশনের সাহসী কঠোর পদক্ষেপে ভয়মুক্ত পরিবেশে এবার বঙ্গের মানুষ ঢেলে ভোট দিচ্ছেন। এবার এই ভোটটা কতটা প্রতিষ্ঠান বিরোধী সেটাই দেখার। সব কিছু জানা যাবে আগামী ৪ মে।