বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনায় নতুন করে বিতর্ক। এবার বিতর্ক খোদ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাইক বন্ধ করা নিয়ে। যা নিয়ে ক্ষোভ, খারাপ লাগা প্রকাশ করেন তিনি।

বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনায় নতুন করে বিতর্ক। এবার বিতর্ক খোদ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাইক বন্ধ করা নিয়ে। যা নিয়ে ক্ষোভ, খারাপ লাগা প্রকাশ করেন তিনি। শনিবার বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী কোন, কোন বক্তা বলবেন তা অধ্যক্ষকে আগেই জানাতে হয়। এই বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল ইস্যুতে বক্তা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল না। তবে বলতে ওঠেন তিনি। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের অনুরোধ স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সময় দেন। বরাদ্দ করা হয় চার মিনিট। কিন্তু শোভনদেব কয়েকটি বাক্য পড়তেই সবুজ আলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তারপরে লাল করে মাইক বন্ধ করা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যা নিয়ে ব্যথিত হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস স্পিকারকে অনুরোধ করেন আরেকটু সময় দেওয়ার জন্য। সেই সময়‌ই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আপনি আমায় চাপ দিতে পারেন না।' সেই সঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'আপনার নাম আগে ছিল না, থাকলে সময় দিতাম।'

মন্ত্রীর ঘরে বিমান

এই ঘটনার পরে অবশ্য় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে কথা বলেন। সাধারণত বিধানসভার রীতিনীতিতে অধ্যক্ষের কোনও মন্ত্রীর ঘরে যাওয়া বিরল। এই বিষয়ে শোভনদেব বলেন, 'আমায় দু’তিন মিনিট বলতে দেওয়া হয়েছিল। তারপর লাল বাতি জ্বালিয়ে দিলেন। অস্বস্তি লাগছিল। আমি সিনিয়র মন্ত্রী। পরিষদীয় মন্ত্রীও। একটু তো ধৈর্য দেখাতে পারতেন। এই ধরনের কথাবার্তা আমার মোটেও ভাল লাগেনি। উনি যেমন স্পিকার আমিও তো মন্ত্রী। এইটুকু তো সম্মান দেবেন। যাই হোক পরে উনি এসেছিলেন আমার ঘরে।'

চন্দ্রিমার তোপ

এই বিষয়ে অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'অধ্যক্ষের কাছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনত স্বাধীনতা অবশ্যই আছে। আপনি স্পিকার, আপনি সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। কিন্তু, বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে অনেকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকেন না, পরে এলেও তাঁদের সময় বরাদ্দ করা হয়। অথচ মন্ত্রীকে সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে এই একই নীতি মানা হয়নি।'