2026 West Bengal Legislative Assembly election: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহও বাকি নেই। শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে লড়াই তুঙ্গে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে শাসক শিবিরে ভাঙন ধরাতে সক্ষম হল বিজেপি (BJP)। এই ঘটনায় উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
KNOW
West Bengal Politics: ধুপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী নরেশ চন্দ্র রায়ের সমর্থনে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ঝাড় আলতা দু'নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে এক অভিনব যোগদান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। নরেশ মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) ছেড়ে বিজেপি-তে যোগদানের হিড়িক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার খট্টিমারি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বিজেপি কার্যালয়ে পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৫০ জন তরুণ পদ্ম শিবিরে নাম লেখালেন। এই যোগদানের বিশেষত্ব হল, এই তরুণরা প্রত্যেকেই প্রথমবার ভোট দেবেন। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তাঁদের পরিবারের অভিভাবকরা তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও, এই তরুণরা পরিবর্তনের বার্তা দিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন। এই যোগদান কর্মসূচির পর স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছে, নরেশের জয় এখন সময়ের অপেক্ষা। যুবসমাজের এই সমর্থন এখানে বিজেপি-র হাত শক্ত করবে। এদিনের কর্মসূচিতে বিজেপি প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ধুপগুড়ি পশ্চিম মন্ডল বিজেপি সভাপতি পলাশ বসাক, সাধারণ সম্পাদক সত্যেন রায়, মহিলা মোর্চার সভানেত্রী কবিতা রায়, যুব সভাপতি সুব্রত রায়সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
শাসক দলে ভাঙন ধরালেন নরেশ
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নিজের গ্রাম বারোঘরিয়ায় ফিরতেই তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ধরালেন নরেশ। বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫৯ নম্বর বুথে তাঁর হাত ধরে ১০০ জন ভোটার বিজেপি-তে যোগ দিলেন। প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় নির্বাচনী প্রচার ও কর্মসূচিতে দলবদলের হিড়িক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তৃণমূল ছেড়ে এই যোগদানের ফলে নিজের খাসতালুকে নরেশের জয়ের পাল্লা আরও ভারী হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
শাসক দলকে ধাক্কা কৌশিক রায়েরও
অন্যদিকে, ময়নাগুড়িতে বিজেপি-র প্রার্থী বিতর্কের মাঝেই বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি-র প্রথম প্রার্থী তালিকায় নাম থাকা কৌশিক রায়ের হাত ধরে ময়নাগুড়ির আমগুড়ি অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিলেন ১৫টি পরিবারের ৫০ জন। কৌশিকের দাবি, 'রাজ্যের অপশাসন আর গ্রাম বাংলার দুর্দশা দেখে মানুষ বিকল্প হিসেবে বিজেপি-কেই বেছে নিচ্ছেন।' অন্যদিকে, দলত্যাগী তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী পায়েল রায়ের অভিযোগ, ‘নারী মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত নন। তাই এই দলবদল।’
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


