2026 West Bengal Legislative Assembly election: বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। কিন্তু এরই মধ্যে নদিয়া জেলার ভীমপুরে মারাত্মক অভিযোগ করলেন এক মহিলা।

DID YOU
KNOW
?
ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ
নদিয়া জেলার আসান নগরে ছাপ্পা ভোট পড়ার অভিযোগ কার্যত স্বীকার করে নিলেন বিএলও।

West Bengal Elections 2026: ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারলেন, আগেই তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে! পশ্চিমবঙ্গে যে কোনও নির্বাচনেই এই অভিযোগ ওঠে। বুধবার বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিনেও এই অভিযোগ উঠল। নদিয়া জেলার ভীমপুর থানার অধীনে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের আসান নগর দুর্লভপাড়া ২১১ নং বুথে এই অভিযোগ উঠেছে। অর্চনা মণ্ডল নামে এক মহিলা স্বামী নিরাপদ মণ্ডলের সঙ্গে ভোট দিতে যান। অভিযোগ, তাঁর স্বামী ভোট দিতে পারলেও অর্চনা নিজে ভোট দিতে পারেননি। তাঁকে বলা হয়, আগেই তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে। সে কথা শুনে হতবাক হয়ে যান এই মহিলা। তিনি বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন এবং সংবাদমাধ্যমের সামনেও নিজের অভিযোগ তুলে ধরেন। এই অভিযোগ ঘিরে আসান নগরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

কী অভিযোগ মহিলার?

এই মহিলা বলেছেন, 'আমার স্বামী অসুস্থ। স্বামীর সঙ্গে ভোট দিতে গেলাম। যে কাগজ দিয়েছে, সেটা দেখালাম। সেটা দেখে বলল, আপনার ভোট হয়ে গিয়েছে। আমি থাকলাম বাড়িতে, আমার ভোট কেমন করে হয়ে গেল? আমি তো ভোট দিইনি। আমার ভোট হল কী করে? ওঁরা কাগজ দেখে বললেন ভোট হয়ে গিয়েছে। আমি বললাম, আমার হাতে তো ছাপ নেই। আমি যদি ভোট দিই, তাহলে তো হাতে চিহ্ন থাকবে। সেই চিহ্ন তো নেই। তাহলে আমার ভোটটা হল কী করে? আমি ভোট দিতে চাই।'

এই মহিলা ভোট দেননি, বলছেন বিএলও?

বিএলও শেফালি বিশ্বাস সরকার বলেছেন, 'ওঁর স্বামী অসুস্থ। উনি স্বামীর সঙ্গে ভোট দিতে ঢুকলেন। উনি ভেবেছিলেন পরে ভোট দেবেন। কিন্তু উনি যখন স্লিপ দিলেন, তখন ওঁরা বললেন, ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। উনি বাইরে এসে আমাকে বললেন। তারপর আমি ভিতরে গিয়ে দেখলাম, ওঁর ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। আমার যেটুকু মনে হচ্ছে উনি ভোট দেননি। ওঁর হাতে কালির ছাপ নেই।' বিএলও সরাসরি কিছু না বললেও, কার্যত স্বীকার করে নিলেন, ছাপ্পা ভোট পড়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।