West Bengal News: বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) মুখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা অভিযোগ উঠে আসছে। পথশ্রী প্রকল্পে যে সব রাস্তা তৈরি হচ্ছে, সেই রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে।

DID YOU
KNOW
?
রাস্তার কাজে দুর্নীতি
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তা তৈরির কাজে কম-বেশি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

2026 West Bengal Legislative Assembly election: কোটি টাকার প্রকল্প, অথচ কাজের মান এতটাই নিম্নমানের যে শিশুর হাতের ছোঁয়াতেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! উত্তরবঙ্গজুড়ে যখন পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে সংযোগকারী রাস্তা তৈরির কাজ চলছে, ঠিক তখনই জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের সন্ন্যাসীকাটা অঞ্চলের নাকুগজে দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল জনতা। ১ কোটি ৮২ হাজার ৭৬ টাকা বরাদ্দে প্রায় ১.৮ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিলেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাস্তার ধুলোবালি সঠিকভাবে পরিষ্কার না করেই তার উপর পাতলা পিচের আস্তরণ ঢেলে দায়সারা কাজ করা হচ্ছে। এমনকী, রাস্তার পাশে থাকা বিশাল দিঘির ধারে কোনও সুরক্ষা বাঁধ বা ‘রিটেনিং ওয়াল’ না দিয়েই চলছে নির্মাণ।

রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ

বর্ষা আসার আগেই এই রাস্তা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের প্রশ্ন, 'কোটি টাকার বরাদ্দে ৩০ লক্ষ টাকার কাজও হয়েছে কি না সন্দেহ।' ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ফতেজা তুল কুবরা। তিনি নিজেই নিম্নমানের কাজের অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজগঞ্জের বিডিও সৌরভ কান্তি মন্ডল জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রশাসনের মৌখিক আশ্বাসে আর চিঁড়ে ভিজছে না। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত করে রাস্তাটি নিয়ম মেনে নতুন করে তৈরি না করলে আগামী নির্বাচনে তাঁরা গণহারে ভোট বয়কট করবেন। ঠিকাদারি সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা এই দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে এখন শোরগোল পড়েছে জেলাজুড়ে।

কী ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন?

পঞ্চায়েতের সদস্য রাস্তা তৈরির কাজে দুর্নীতির অভিযোগ কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন। বিডিও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্ত ঠিকাদারি সংস্থার বিরুদ্ধে সত্যিই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে গ্রামবাসীরা সন্দিহান। এই কারণেই তাঁরা ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।