West Bengal Tmc News: রাজ্যের তিন হেভিওয়েট মন্ত্রী হারলেই মা কালীর মন্দিরে দেওয়া হবে তাদের নামে পাঁঠাবলি। তৃণমূল বিধায়কের কাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে জামালপুরে। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

West Bengal Tmc News: ভোটের ফল প্রকাশে পরই তিনটে পাঁঠা নিয়ে জামালপুরের বুড়োরাজ মন্দিরে হাজির হলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর অনুগামীরা। তিনটি পাঁঠার গলায় ঝোলানো ছিল তিন নেতার নাম— অরূপ বিশ্বাস, স্বপন দেবনাথ এবং রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। আগে করা মানত পূরণ করতেই এদিন তাঁর এই মন্দিরে আগমন বলে জানা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অরূপের নামে পাঁঠাবলি তৃণমূল বিধায়কের:-

তপন চট্টোপাধ্যায় জানান, তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট প্রার্থী পরাজিত হলে তিনি বুড়োরাজের কাছে পাঁঠা দিয়ে পুজো দেওয়ার মানত করেছিলেন। শুধু তিন প্রার্থীর পরাজয়ই নয়, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও পরিবর্তন এসেছে। তাই ফল ঘোষণার পরদিনই সেই মানত পূরণ করতে তিনি মন্দিরে আসেন। মন্দির প্রাঙ্গণে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বুধবার আনুমানিক বেলা একটা নাগাদ তপন চট্টোপাধ্যায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

তাঁর দাবি, তৃণমূল দলকে শেষ করার পিছনে এই তিন নেতারই ভূমিকা রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগসাজশ করেই দলকে দুর্বল করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “দলটি উচ্ছন্নে চলে যাক, দল হারুক— এমনই মানত করেছিলাম।”এদিন তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে কোন দলে তিনি যোগ দেবেন, সে বিষয়ে এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি। 

অন্যদিকে, জামালপুরের বুড়োরাজ মন্দিরের সেবাইতদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মানত পূরণে এভাবে পাঁঠা নিয়ে মন্দিরে আসার ঘটনা তাঁদের কাছে একেবারেই নতুন। এমন দৃশ্য এর আগে তাঁরা কখনও দেখেননি।ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই তপন চট্টোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপ এবং তাঁর মন্তব্য নতুন করে পূর্বস্থলীর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চার জন্ম দিয়েছে।

শুধু তাই নয়, অন্যদিকে-জয়ের পর বুধবার প্রথম নন্দীগ্রামে যান শুভেন্দু অধিকারী।নন্দীগ্রামে হনুমান জিউর মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে নন্দীগ্রামের কেন্দ্রীয় বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছন নন্দীগ্রামের জয়ী বিজেপি প্রার্থী।কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি কার্যালয়ে।কর্মী সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান শুভেন্দু অধিকারী।কর্মী সমর্থকরা ফুলের মালা পরিয়ে শুভেচ্ছা জানান শুভেন্দু অধিকারীকে।

নন্দীগ্রাম থেকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে বিঁধে শুভেন্দু বলেন, ‘’কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়,মানুষ কামড়ায় না। আইন কেউ হাতে নেবেন না।ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী প্রত্যেক কেস রি-ওপেন হবে। আমরা এমন কাজ করবো ১০০ বছর বিজেপি থাকবে। ১০ দিনের মধ্যে একটা সিট ছাড়তে হবে। তবে আমি আর কর্তব্য থেকে সরব না। নন্দীগ্রাম হলদিয়ায় সেতু বানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন শুভেন্দু।''

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।