নবান্নের বড় আপডেট! এপ্রিল মাসে বাংলার এই সরকারি কর্মীদের কাটা হবে বেতন, কেন?
বাংলার কয়েকশো সরকারি কর্মীর বেতন কাটা যাবে এপ্রিল মাসে! এমনই খবর সামনে আসছে। বেতন কাটার খবরে বেশ হতাশ সরকারি কর্মীরা। তবে নবান্নের পক্ষ থেকে কড়া সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে বলে খবর। কিন্তু ডিএ পাওয়ার আবহে কেন এমন তথ্য মিলছে?

বাংলার কয়েকশো সরকারি কর্মীর বেতন কাটা যাবে এপ্রিল মাসে! এমনই খবর সামনে আসছে। কিন্তু ডিএ পাওয়ার আবহে কেন এমন তথ্য মিলছে?
কত টাকা কেটে নেওয়া হবে বাংলার সরকারি কর্মীদের বেতন থেকে, সেই বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য মেলেনি। তবে এপ্রিল মাসে অন্যান্য মাসের তুলনায় কম বেতন মিলবে বলেই জানানো হয়েছে নবান্নের পক্ষ থেকে।
বেতন কাটার খবরে বেশ হতাশ সরকারি কর্মীরা। তবে নবান্নের পক্ষ থেকে কড়া সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে যে বদল আসবে না তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন কাটা হবে বেতন?
বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (DA) দাবিতে গত ১৩ মার্চ, শুক্রবার রাজ্যজুড়ে পূর্ণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চসহ বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন। এই ধর্মঘট রুখতে শুরু থেকেই অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল নবান্ন।
রাজ্য অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশিকায় (Memo No. 968-F(P2)) স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, ১৩ মার্চ সমস্ত সরকারি অফিস, স্কুল এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলি খোলা থাকবে এবং সমস্ত কর্মীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
বেতন কাটা ও ডাইস-নন সতর্কতা: নবান্নের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওই দিন কোনো কর্মীকে ক্যাজুয়াল লিভ (CL) বা অন্য কোনো ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা হয়নি। যদি কোনো কর্মী ওই দিন নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া অনুপস্থিত থেকে থাকেন, তবে তাঁর সেই দিনের অনুপস্থিতিকে 'ডাইস-নন' (Dies-non) হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর অর্থ হলো, ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মী কোনো বেতন পাবেন না এবং এটি তাঁর চাকরির মেয়াদে একটি 'ব্রেক ইন সার্ভিস' হিসেবে রেকর্ড করা হবে।
যেহেতু এই সংক্রান্ত হাজিরা যাচাই ও পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া ৩০ মার্চের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাই অনুপস্থিত কর্মীদের এপ্রিল মাসের বেতন থেকেই ওই দিনের টাকা কাটা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নির্দেশ: অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুপস্থিত কর্মীদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে 'শো-কজ' (Show-Cause) নোটিস পাঠানো হচ্ছে এবং তাঁদের অনুপস্থিতির সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রমাণপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। যদি উত্তর সন্তোষজনক না হয়, তবে বেতন কাটার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
ধর্মঘটের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বকেয়া মেটানোর বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করেনি। সংগঠনের নেতা ভাস্কর ঘোষ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা তাঁদের দাবিতে অনড় থাকবেন।
অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন যে, ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার কারণে কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তিনি তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেবেন
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

