Death News: এসআইআর আবহে ফের মৃত্যুর ঘটনা। ভোটার শুনানিতে ডাক পাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের। কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Death News: আবারও SIR আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। এবার নিজের নামে হেয়ারিংয়ের নোটিশ না আসলেও পরিবারের তিনজনের বিরুদ্ধে হেয়ারিং এর নোটিশ আসায় অসুস্থ হয়ে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু। নাম- আজগর বিশ্বাস (৭১)। হিঙ্গলগঞ্জের স্যান্ডেলের বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২১ নাম্বার বুথের ঘটনা। SIR এর হেয়ারিংয়ের নোটিশ আসে তার স্ত্রী পুত্রসহ পরিবারের তিনজনের নামে ।
সেই নোটিশ আসার পর আজগার বিশ্বাস রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং এই বিষয়টি নিয়ে তিনি টেনশন করেন । এরপর রবিবার রাতে এ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ভোরে তার মৃত্যু হয় । হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি SIR এর আতঙ্কেই তার হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পাশে দাঁড়ালো তৃণমূল কংগ্রেস।
অন্যদিকে, ফারাক্কা বিডিও অফিসে নজিরবিহীন ভাঙচুর ও নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের হেনস্তার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল স্থানীয় রাজনীতি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি।
ঠিক কী ঘটেছে?
দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক আয়ন ঘোষের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল শনিবার ফারাক্কা থানায় উপস্থিত হয়ে বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আবেদন জানান। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আয়ন ঘোষ অভিযোগ করেন, "এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিধায়ক উস্কানিমূলক মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। বিডিও অফিসের ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালানো এবং আধিকারিকদের দিকে চেয়ার ছুঁড়ে মারার মতো যে গুন্ডামি আমরা দেখেছি, তার নেপথ্যে বিধায়কের প্রত্যক্ষ উস্কানি রয়েছে।"
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এর আগে সামশেরগঞ্জেও একই ধরণের অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছিল। এখন ফারাক্কার শান্তিপূর্ণ পরিবেশকেও একইভাবে কলুষিত করার চেষ্টা চলছে। বিধায়ক দাবি করেছিলেন যে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ভাঙচুর চালিয়েছে, কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরাই এই ঘটনার সাথে যুক্ত।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়েছে যে, বিধায়ক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন এই বলে যে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর-এর ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সম্প্রদায়ের মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। বিজেপি নেতা আয়ন ঘোষ স্পষ্ট করেন, "হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকেই এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডাকা হচ্ছে, কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বিধায়ক রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন।" বিজেপি জানিয়েছে, যদি পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ না নেয় তবে তারা ইমেইল মারফত উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছেও এই অভিযোগ জানাবে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


