Bangladesh News: ফের অশান্ত পদ্মাপার। ভোটের আগে বাংলাদেশে গুলির লড়াই। নিহত রাজনৈতিক দলের নেতা। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Bangladesh News: ভোটের আবহে ফের অশান্ত বাংলাদেশ। ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই অশান্ত বাংলাদেশ। এবার বিএনপি দলের এক নেতাকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ঢাকার তেজগাঁওয়ের তেজুরি এলাকায়।

বাংলাদেশে ফের গুলির লড়াই: 

 এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও দুইজন। তাদের মধ্যে নিহতের নাম আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বি। তিনি ছিলেন বিএনপি-র শাখা সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। অন্য জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে পলাতক দুস্কৃতীরা।

সূত্রের খবর, নিহত আজিজুর ঢাকা মহানগরের উত্তর শাখার স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বুধবার রাতে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে আজিজুরের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হন কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা আজিজুরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর পেটে গুলি লেগেছিল। অন্য দিকে, সুফিয়ানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

Scroll to load tweet…

তবে এই প্রথম নয়। ভোট আসতেই গত কয়েক দিন ধরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা যাদের কাজ, তারা নিজেদের সেই কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয়ে এখন 'সামাজিক নৈতিকতা' রক্ষার কাজে নেমে পড়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের (Bangladesh Police) অতি-সক্রিয়তার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এক ভিডিওতে পুলিশকর্মীদের পার্কে অভিযান চালাতে দেখা যাচ্ছে। পার্কে যেভাবে তরুণ-তরুণীরা ঘনিষ্ঠ হন, এখানেও ঠিক তেমনই ছিল।

যে কোনও দেশেই এটা স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু মৌলবাদীদের দাপটে এখন বাংলাদেশে পার্কে ঘনিষ্ঠ হয়ে থাকাও 'বেআইনি'। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পার্কের এক বেঞ্চে এক যুগল ছিলেন। এক তরুণীর কোলে মাথা রেখে শুয়েছিলেন তাঁর তরুণ প্রেমিক। তাঁর চুলে বিলি কেটে দিচ্ছিলেন প্রেমিকা। 

কিন্তু এই আচরণ পুলিশের চোখে 'আপত্তিকর'। এই কারণে ওই তরুণকে মারেন এক পুলিশকর্মী। পার্কে আরও কয়েকজন যুগল ছিলেন। সবাইকে ধরে আনেন পুলিশকর্মীরা। যুগলদের একে অপরের কান ধরে ওঠবস করানো হয়। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই অনেকে বাংলাদেশের পুলিশের সমালোচনা শুরু করেছেন।

বাংলাদেশে নীতি-পুলিশি অবশ্য নতুন কোনও ঘটনা নয়। শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) আমলেও এই ঘটনা দেখা গিয়েছে। ২০১৯ সালে নোয়াখালি-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী এক পার্কে হানা দিয়ে পড়ুয়া যুগলদের দেখতে পেয়ে তাঁদের গালিগালাজ করেন এবং তাঁদের ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। 

তিনি এক তরুণীর বাবার ফোন নাম্বার চান। ফোন নাম্বার না দিলে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে হুমকিও দেন তিনি। পরে এই এমপি নিজের পদক্ষেপের সাফাই গেয়ে বলেন, 'আমার সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে সেদিন সেখানে উপস্থিত কিশোর-কিশোরীদের সতর্ক করেছিলাম।' এবার পুলিশকর্মীদেরই এই ভূমিকায় দেখা গেল।

Scroll to load tweet…

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।