- Home
- West Bengal
- West Bengal News
- সুপ্রিম কোর্টে আটকে থাকা DA মামলা নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ২টি পরামর্শ, জানুন কী বললেন আইনজীবী
সুপ্রিম কোর্টে আটকে থাকা DA মামলা নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ২টি পরামর্শ, জানুন কী বললেন আইনজীবী
DA মামলা নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের দুটি পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তিনি সুপ্রিম কোর্টে চলা রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টে DA মামলা
সুপ্রিম কোর্টে DA বা মহার্ঘ ভাতা মামলার শুনানি শেষ হয়েছে গত ৮ সেপ্টেম্বর। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত রায়দান করা হয়েছে। মামলার রায় সংরক্ষিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু কেন এত দিনে রায়দান করা হয়নি? কবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার রায় দান করা হবে? এই নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মধ্যে জল্পনা তুঙ্গে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে সাবধান করেছেন আইনজীবী।
ডিএ মামলার অবস্থা নিয়ে আলোচনা
একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্প্রতি কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িত-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্য়ায় ও আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মধ্যে মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে ফিরে আইনজীবী রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বার্তাও দিয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের মামলার বর্তমান পরিস্থিতি
আইনজীবী ফিরদৌস শামিম যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে মহার্ঘ ভাতার বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন শুধুমাত্র রায় ঘোষণার অপেক্ষা রয়েছে। বিষয়টি যেহেতু সম্পূর্ণভাবে বিচারাধীন। ডিএ মামলা বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত। তাই বাইরে থেকে এই মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করার কোনও আইনি সুযোগ নেই।
মেনশনের দাবি
রাজ্যের সরকারি কর্মীদের সূত্রের খবর, ডিএ মামলার রায় ঘোষণার জন্য অনেক সরকারি কর্মী চাইছেন, রায়দানের জন্য ফের মেনশন করা হোক। এই প্রক্রিয়ার ঝুঁকি নেওয়া এই সময় সঠিক পদ্ধতি নয়। তেমনই পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবী। তিনি দুটি পরামর্শ দিয়েছেন।
আইনজীবীর প্রথম পরামর্শ
আইনজীবী জানিয়েছেন, যখন কোনও মামলার রায় সংরক্ষিত থাকে তখন সেই মামলা নিয়ে বারবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা বা মেনশন করা ঠিক নয়, এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আদালতের বিরাগভাজনেরও আশঙ্কা থাকে।
দ্বিতীয় পরামর্শ
এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল মামলা। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সামান্য ভুল পদক্ষেপ গোটা মামলার ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এখন অপেক্ষা করাই একমাত্র সঠিক পদক্ষেপ হবে।

