মহালয়ার আগেই পুজো মণ্ডপগুলিতে দেখা গেল বিপুল জনজোয়ার। উৎসব বর্জনের ডাককে উপেক্ষা করে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন পুজো মণ্ডপগুলিতে। এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য।

আরজি কর কাণ্ডের বিতর্ককে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জনজোয়ার দেখা গেল বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে। মহালয়ার আগে থেকেই হয়ে গিয়েছে উদ্বোধন। কালও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো উদ্বোধন করেছেন। এরপরই দর্শনার্থীদের ভিড় নজর কেড়েছে সকলের। শ্রীভূমি থেকে লুমিনাস ক্লাব- মহালয়ায় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল দেখার মতো। এটি অষ্টমী নাকি মহালয়া তা বোঝা দায় ছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিকে কদিন ধরে উৎসব বয়কটের ডাকে সরগরম ছিল সর্বত্র। সে সময় সকলকে উৎসবে ফিরতে বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়েও বিস্তর বিতর্ক হয়। এখনও চলছে ডাক্তারদের আন্দোলন। এরই মাঝে শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসব। আর এই উৎসবে মহালয়ার দিনই জনজোয়ার নজর কাড়ল সকলের।

এই নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন তৃণমূল কংগ্রেসের তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ তাঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে। তিনি বলেন, শ্রীভূমি থেকে কল্যাণী আইটিআই, মহালয়ার দিন থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে জনজোয়ার। যাঁরা উৎসব বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন, উৎসবে ফিরছি না বলে পিওর বাম সুলভ স্লোগান তুলেছিলেন, সাধারণ মানুষ তাঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন। মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছেন গরিবের পেটে লাথি মেরে উৎসব বয়কট কোনও সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ নয়। …

তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সেই গরিব মানুষদের জন্যেই বলেছিলেন উৎসবে আসুন… বলেননি, বিচার ভুলে উৎসবে ফিরুন… বাংলা আজ বুঝিয়ে দিয়েছে, আইনের কাছে, আদালতের কাছে বিচারের দাবি যেমন থাকবে, তেমনই থাকবে উৎসবের উদ্দীপনা। থাকবে, মাতৃ বন্দনাও। কোনও চক্রান্তেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ ইভেন্টকে বলিতে চড়তে দেওয়া হবে না। জয় মা দুর্গা।