শহরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবার রাজপথে নেমে তদারকি করলেন রাজ্যপাল। রাজ্যবাসীর কাছে শান্তিরক্ষার আবেদনের পাশাপাশি সামরিক বাহিনী কেমন কাজ করছে সে বিষয়টাও খতিয়ে দেখে

রামনবমীর ঘটনার পূনরাবৃত্তি যাতে হনুমান জয়ন্তীতে কোনও মতেই না ঘটে সেদিকে কড়া নজর ছিল প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল শহরের বিভিন্ন এলাকা। রিষড়ার ঘটনার পরই যে কোনও মূল্যে শান্তিরক্ষার কথা বলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। হনুমান জয়ন্তীতে নরচর হল না সেই কথার। আদালতের নির্দেশে একাধিক স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে আধা সেনা বাহিনী। শহরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবার রাজপথে নেমে তদারকি করলেন রাজ্যপাল। রাজ্যবাসীর কাছে শান্তিরক্ষার আবেদনের পাশাপাশি সামরিক বাহিনী কেমন কাজ করছে সে বিষয়টাও খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বৃহস্পতিবার শহর পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শহরের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিশেষ পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার লেকটাউনের হনুমা মন্দিরে যান তিনি। সেখানে গিয়ে পুজো দেওয়ার পাশাপা অঞ্জলিও দেন রাজ্যপাল। পুজো দিয়ে বেরোনোর সময় সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন,'শান্তি বজায় রাখুন মানুষের কথা ভাবাই আমাদের কর্তব্য। সমস্ত মানুষকে সৎ বুদ্ধি দিক ভগবান। নব বর্ষে বাংলা শান্তি ও সম্প্রীতির নতুন যুগে প্রবেশ করবে।ঝান্ডা উঁচা রহে হামারা।'

রিষড়াকাণ্ডের জেরে উত্তরবঙ্গের সফর কাটছাট করে মঙ্গলবারই কলকাতায় ফিরেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। শহরে ফিরে রিষড়ায় অশান্তির ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দিলেন তিনি। রিষড়ায় অশান্তি সৃষ্টিকারীদের যে কোনও মূল্যে শাস্তি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যপাল। তিনি বলেন,'মানুষের শান্তিতে বাঁচার অধিকার আছে। যাঁরা সাধারণ মানুষের শান্তি বিঘ্নিত করবেন তাঁদের রেয়াত করা হবে না।' ঐক্যবদ্ধভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার কথাও বলেন তিনি। রাজ্যে বারবার অশান্তির ঘটনার পুণরাবৃত্তিতে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার বিমানবন্দর থেকে তিনি জানান,'আমরা জানি গত কয়েকদিন ধরে কী চলছে। এই কালো শক্তিকে কখনই আমরা সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা খর্ব করতে দেব না। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেব না। দুর্বৃত্ত দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।' তিনি আরও বলেন,'সকলে একসঙ্গে শান্তিরক্ষা করব। বাংলার মানুষকে এই ধরনের পরিস্থিতির আর মুখোমুখি হতে হবে না। যে কোনও মূল্যে শান্তি নিশ্চিত করা হবে।'