বিধায়ক বলেন,'আমি জানি আমার বিধানসভার মানুষগুলো কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু আমার এতে কিছু করার নেই'। বারাসাতের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কৃষ্ণনগর জাতীয় সড়ক (NH 12)ও যশোর রোড(NH 112)নিয়ে সরব হন চিরঞ্জিৎ।

'গতকাল নবান্ন চলো অভিযানে RG Kar-এর নির্যাতিতার মা আহত হয়েছেন এতে আমি মর্মাহত। তবে কে বা কারা করেছে সে সম্পর্কে আমি অবগত নয়। যারা নিয়ে গেছিল এই অভিযানে তারা ঠিক মতন প্রটেকশন দিতে পারেনি। তবে এ ধরনের ঘৃণ্যতম ঘটনার সঠিক বিচার ডেফিনেটলি হওয়া উচিত। কারণ আমিও মনে করছি সঠিকভাবে তদন্ত হয়নি, এ ঘটনায় একা কেউ অভিযুক্ত নয় তদন্ত আরও সুস্পষ্ট হওয়া উচিত। সিবিআইয়ের যথেষ্ট গাফিলতি আছে বলে আমি মনে করছি। সংবাদমাধ্যমিক প্রকাশ্যে এনেছে প্লেস অফ অকারেন্সে সিবিআই কোন তদন্ত করেনি। তাহলে সঠিক তদন্ত হয় কিভাবে।' বারাসাত রামকৃষ্ণপুর বর্ণালী সংঘের রক্তদান শিবিরে এসে বিস্ফোরক দাবি বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিধায়ক আরও বলেন,'আমি জানি আমার বিধানসভার মানুষগুলো কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু আমার এতে কিছু করার নেই'। বারাসাতের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কৃষ্ণনগর জাতীয় সড়ক (NH 12)ও যশোর রোড(NH 112)নিয়ে সরব হন চিরঞ্জিৎ। তিনি বলেন, 'আমি নিজেও যশোর রোড দিয়ে যাতায়াত করে এসেছি সত্যিই আশঙ্কাজনক অবস্থা । কিন্তু এটি কেন্দ্রের, কেন্দ্র না করলে আমার কিছু করার নেই। আমি ইতিমধ্যেই এ নিয়ে নিয়মিত কেন্দ্রীয় একাধিক দপ্তরে অভিযোগ জমা দিয়েছি।' গত ৬ আগস্ট নারী সুরক্ষা যাত্রায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বারাসাতে এসে সভামঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক 'বসন্তের কোকিল' সঠিক সময় মানুষটিকে দেখা যায় না। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক পাল্টা বলেন, 'আমি সপ্তাহে ২ বার অর্থাৎ মাসে ৮ বার এবং বছরে গড়ে ৯৬ থেকে ১০০ বার আসি। এবার ১৫ বছরের হিসাবটা আমার মানুষই করুক কতবার আমি এসেছি। একজন অভিনেতা বিধায়ক হয়ে কে কতবার তার অ্যাসেম্বলি ঘুরে আমার জানা নেই তবে আমি আমার সর্বাগ্রে চেষ্টা করি।' তিনি এও বলেন শুভেন্দু এবং তাঁর মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি নিজেকে স্বচ্ছ বলেও দাবি করেন। তিনি পাল্টা এও বলেন কুণাল ঘোষও বলেছিলেন শুভেন্দু ও তাঁর মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে একে অপরের ভিন্ন প্রতিদ্বন্দী। তবে ২০১১ সালে ভোটে দাড়ানোর সময় যে জনপ্রিয়তা তিনি পেয়েছিলেন সেটা আস্তে আস্তে কমছে। এটাও তিনি বুঝতে পারছেন।

' আমার ভোটে দাঁড়ানোর কোন ইচ্ছা নেই ২০২৬ এ তবে মমতা যদি বলে তার কথায় শেষ কথা, সে রাজ্যের স্টেটসম্যান।' এমনও বলেছেন বিধায়ক। তবে ২৬ এর নির্বাচনের প্রাক্কালে বহুবার বিতর্ক হয়েছে বারাসাত লোকসভার তৃণমূল প্রার্থীকে কেন্দ্র করে কখনও নাম উঠে এসেছে এই লোকসভা কেন্দ্রের সংসদের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার এর আবার কখনও জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বা বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ অন্যান্যদের। ভোট বৈতরণীতে কে হবে বারাসাতে শেষ তরুপের তাস তা মমতার হাতে রয়েছে বলেই জানান বারাসাতের বিধায়ক চিরঞ্জিত। তিনি এও বলেন বারাসাতে তিনি না দাঁড়ালেন শুধুমাত্র সাংসদ এর ছেলেই নয় আরও এরকম ৪০ জন রয়েছে। তবে শেষ সিদ্ধান্ত সুপ্রিমো নেবেন।