- Home
- West Bengal
- West Bengal News
- মোদীর চিঠি পড়েন না মমতা! সিঙ্গুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ-সহ একাধিক বিষয়ে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর
মোদীর চিঠি পড়েন না মমতা! সিঙ্গুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ-সহ একাধিক বিষয়ে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর
Modi Vs Mamata: সিঙ্গুরের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন। তিনি রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার এলে কী কী উন্নয়ন হবে তাও বলে দেন।

এক জেলা এক পণ্য নীতি:
মোদী বলেন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিকেকানন্দের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় স্তরে পালন করার উদ্যোগ নিয়েছে তাদের সরকার। তিনি আরও বলেন, বিজেপি বিকাশ ও ঐতিহ্য - উভয়কেই গুরুত্ব দেয়। এই দুয়ের মডেলেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বিকাশ গতি দেবে। মোদী এক জেলা এক পণ্যের কথাও বলেন। তিনি বলেন, এই জেলায় ধনিয়াখালি শাড়ি আছে, পাট রয়েছে। বিজেপির এক জেলা এক পণ্য প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলার এমন পণ্যে উৎসহ দেবে। বিজেপি সরকার এলেই প্ল্যাস্টিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা করবে। পাট শিল্পকে আরও উৎসাহিত করবে।
কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ
মোদী বলেন, 'আমি পশ্চিমবঙ্গের তরুণ , কৃষক, মা-বোনদের যথাসম্ভব সেবা করতে চাই। কিন্তু এখানে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পকে আপনাদের কাছে পৌঁছাতে দিচ্ছে না। এদের মোদীকে নিয়ে সমস্যা, তা আমি বুঝি। কিন্তু তৃণমূল তো পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের সঙ্গে শত্রুতা করছে। তৃণমূল এ রাজ্যের তরুণ, কৃষক, মৎস্যজীবী ও মা-বোনেজদের সঙ্গে শত্রুতা করেছে তৃণমূল। '
মোদীর চিঠি পড়েন না মুখ্যমন্ত্রী!
সিঙ্গুরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মমতার বিরুদ্ধে সবথেকে বড় অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, 'মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম খুলেছে। বিভিন্ন রাজ্য সেখানে নিজ নিজ এলাকার মৎস্যজীবীদের নাম রেজিস্টার করছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তাতে ব্রেক লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি বার বার এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে চিঠি লিখি। মুখ্যমন্ত্রী চিঠি পড়েন না। কিন্তু অফিসারদের তো পড়তে দিন। তৃণমূল সরকার এখানকার মৎস্যজীবী যোজনায় রেজিস্ট্রেশনে কোনও সাহায্য করছে না। তৃণমূল রাজ্যের মৎস্যজীবীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে।'
উন্নয়নে বাধা দিলে সাজা!
মোদী আরও বলেন দেশের ভোটাররা জেগে গিয়েছে। যারা উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন তারা প্রত্যেকে সাজা পাচ্ছেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কথাও বলেন। তিনি আরও বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গের মানুষও স্থির করে নিয়েছে তারাও তৃণমূলের নির্মম সরকারকে সবক শেখাবে। আর বিজেপির সরকার তৈরি করবে।' তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের বার্তাও দেন।
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা
মোদী মালদার মত হুগলিতেও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, 'তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের সুরক্ষা নিয়ে খেলা করছে। ' তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধে দেয়। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে ধর্নায় বসে। তাঁর অভিযোগ অনুপ্রবেশকারীরাই ওদের ভোট ব্যাঙ্ক। তিনি আরও বলেন, 'ত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার তৃণনূল সরকারে বার বার চিঠি লিখছে। বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে কাঁটাতার দিতে হবে। জমি দরকার। কিন্তু তৃণমূলের কোনও হেলদোল নেই। যারা অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো নথি বানিয়ে দেয়, তাদের সাহায্য করে তৃণমূল। অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করতে হবে। যাঁরা অতীতে বিভিন্ন ভুয়ো নথি বানিয়ে এ দেশের ভিড়ে মিশে গিয়েছেন, তাঁদেরও নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে।'

