Nadia News: ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা নিহত তামান্না খাতুনের মায়ের। এবার হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা না করেই ছুটি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন….
Nadia News: ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা তামান্নার মায়ের, চিকিৎসা না করেই হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তামান্নার মা। ঘটনাটি ঘটে গত ৩০ ডিসেম্বর। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাঁকে প্রথমে পলাশী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাঁকে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
অভিযোগ, চিকিৎসা চলাকালীন গতকাল অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর সকালে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোর করে তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, পর্যাপ্ত চিকিৎসা না করিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পুলিশের তরফ থেকে। বাড়ি ফেরার পর কিছুক্ষণের জন্য তাঁর শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও আজ সকাল থেকেই আবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আর ভরসা না থাকায় তামান্নার পরিবার তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত এই ঘটনাকে ঘিরে জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তামান্নার বাবা।
এদিকে তামান্না খুনের মামলায় এখনও ১৪ জন অভিযুক্ত অধরা বলে অভিযোগ পরিবারের। যদিও পুলিশ ইতিমধ্যে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চার্জশিট দাখিল করেছে। তামান্নার বাবার দাবি, অধরা অভিযুক্তরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গোটা পরিবার এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বছর শেষের আগে মেয়ের মৃত্যুশোক ভুলতে না পেরে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার জন্য আত্মহত্যার চেষ্টা। মাস ছয়েক আগে নদীয়া জেলার কালীগঞ্জে উপনির্বাচনে জয় লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর শুরু হয় ঘাসফুল শিবিরের বিজয়োৎসব। অভিযোগ- সেদিনের সেই মিছিল থেকে ছোড়া বোমার আঘাতে প্রাণ হারান রাস্তার ধারে খেলতে থাকা নাবালিকা তামান্না খাতুনের। তারপর পুলিশ-আদালত গড়িয়েছে অনেক জল। যদিও এখনও তামান্না খাতুন মৃত্যুর ঘটনায় অনেক অপরাধীই গ্রেফতার হননি। তারা বহাল তবিয়তে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
অভিযোগ, একমাত্র মেয়ের মৃত্যুশোক ভুলতে না পেরে এবার অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা নিহত তামান্না খাতুনের মায়ের। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে খবর, চলতি লছরের ২৩ জুন কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়। সেইদিন কালীগঞ্জের মোলান্দিতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় মৃত্যু হয় তামান্না খাতুনের। সেই ঘটনায় ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি।
১০ জনকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাকিদের গ্রেফতার করা হয়নি। তারা এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই আতঙ্কে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তামান্নার মা। বলে জানা গিয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


