Kalyan Banerjee Vs Sougata Roy: তৃণমূলের দলের সমস্যা প্রকাশ্যে আনলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা সরব হলেন সৌগত রায়। 

Kalyan Banerjee Vs Sougata Roy: তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের কোন্দল যা গতকাল পর্যন্ত হোয়াটঅ্যাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল তা এবার প্রকাশ্যে এল। আর তৃণমূলের দলীয় দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে আনলেন দলেরই এক প্রবীণ সাংসদ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বসে দলের দুই সাংসদের নাম করে বোমা ফাটলেন। আর এক সাংসদের নাম উচ্চারণ না করেও স্পষ্ট করে দিলেন তিনি কোন মহিলা সাংসদের কথা বলেছেন। কল্যাণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের এক সাংসদও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশনায় সৌগত রায়-

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে দমদমের সাংসদ সৌগত রায়কে নিশানা করেন। তাঁর নিশানায় ছিলে বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ ও প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদও। কল্যাণ বলেন, 'সৌগত রায়ের কোনও ক্যারেক্টার আছে নাকি? নারদার টাকা নিয়েছিলেন মনে নেই? নারদার চোর আর এর-তার থেকে গিফট নেওয়া সব দু-নম্বরিগুলো এ জায়গায় হয়েছে। দু-নম্বরিদের এক জায়গায় হতে বেশি সময় লাগে না।' নারদাকাণ্ডে যে ভিডিও প্রকাশ হয়েছিল সেখানে সৌগত রায়কে টাকা নিতে দেখা দিয়েছিল। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে বিদেশে থাকা ব্যবসায়ীর থেকে উপহার নিয়ে সংসদে আদানি ও মোদীকে জড়িয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগ উঠেছিল। যার কারণে তাঁর সাংসদ পদই খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তাই কল্যাণের কথায় স্পষ্ট তিনি সৌগত আর মহুয়ারে একই সূত্রে বাঁধতে চাইছেন।

তবে এখানেই থেমে থাকেননি সৌগত রায়। তিনি বলেন, 'আমি সংসদে সকলের বিরুদ্ধে লড়ই করি। একাই লড়াই করি। একটা অধিবেশনে না এলে বুঝবে!' কল্যাণ আরও বলেন, 'ইংরেজিতে ফটরফটর করেই কোনও পুরুষকে অসম্মান করা যায় না। দিদি যদি মনে করেন আমি ভুল করছি বলে দিন। আমি সব ছেড়়ে দিয়ে চলে যাব। আমাার কী আছে!' কল্যাণ ঘনিষ্টদের মনে এই কথা বলে ইস্তফা দেওয়ার কথাই বলেছেন কল্যাণ।

নির্বাচন কমিশনে যাওয়া নিয়ে সমস্যা

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিতে যাওয়া নিয়ে। স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দল। তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক কল্যণ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্মারকলিপিতে প্রতিনিধিদের সইয়ের জায়গয়া কোনও মহিলা সাংসদের নাম ছিল না। অথচ মহুয়া মৈত্রকে যেতে বলা হয়েছিল বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। যা নিয়ে তিনি আপত্তিও তোলেন।

সৌগত রায়ের মন্তব্য

অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপধ্যায়ের কটাক্ষ প্রসঙ্গে মহুয়া মৈত্র এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে সৌগত রায় মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, 'ওঁর থেকে সার্টিফিকেট নেওয়ার দরকার নেই। আমি মনে করি ওকে সচেতকের জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। তৃণমূলের একজনও নেই যে ওঁকে পছন্দ করে। ওঁর ব্যবহারের জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। ওঁর কোনও ব্যালান্স নেই। অনেকেই বলে কল্যাণের সমস্যা আছে।'

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।