ভালবাসার করুণ পরিণতি। বাড়িতে না মানায় প্রেমিকাকে ফোন করে আত্মঘাতী হল প্রেমিক। আর সেই খবর পেয়ে দ্রুত নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রেমিকা। জোড়া মৃত্যুতে শোকের ছায়া বসিরহাটে,

ভালবাসার করুণ পরিণতি। বাড়িতে না মানায় প্রেমিকাকে ফোন করে আত্মঘাতী হল প্রেমিক। আর সেই খবর পেয়ে দ্রুত নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রেমিকা। একই সঙ্গে তরুণ-তরুণীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় শোকের ছায়া বাসিরহাটের মাটিয়া এলাকা। মৃত ওমর ফারুক গাজি। মৃতা করিনা খাতুন।

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট হমহকুমার মাটিয়া থানার উত্তর মমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা ২৪ এর ওমর ফারুক গাজি, পেশায় সেলাই মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁরই সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কারিনা খাতুন। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভালোবাসা ছিল । একাধিকবার তাদের মধ্যে প্রেম আলাপ থেকে শুরু করে মোবাইল ফোনে ছবি তোলা মধ্য দিয়ে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে । অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয় দুইজনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিয়েতে বাধা হয় দাঁড়ায় করিনার পরিবার।

ফারুকের সঙ্গে করিনার বিয়ে পরিবার মানতে নারাজ কারণ। প্রেমিক সেলাইয়ের কাজের সঙ্গে যুক্ত তেমন কিছু করেনা । মেয়ের বাড়িতে গিয়ে বাবাকে রাজি করার চেষ্টা করে ফারুকের পরিবার। ছেলের জন্য় মেয়ের বাড়িতে গিয়েছিল ফারুকের পরিবার। সমস্যা সমাধান হয়নি। উপরন্তু দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। যা নিয়ে রবিবার গভীর রাত্রে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে ঝামেলা হয়।

তারপর প্রেমিক নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে সেই খবর প্রেমিকা পেলে সেও নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে । জানাজানি হতেই এলাকার চাঞ্চল্য ছড়াই এই নিয়ে দুজনের সোমবার ভোরবেলা প্রেমিকের নিজের ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তারপর প্রেমিকার নিজের ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় কারিনা এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। এই ঘটনায় রীতিমতো শোকের ছায়া নেমে পড়েছে গ্রামে বিয়ে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকের গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা না এর পিছনে অন্য কোন কারণ আছে পাশাপাশি প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় এর পিছনে আরও কোন কারণ আছে কিনা সেটা খ দিয়ে দেখছে মাটিয়া থানার পুলিশ ফারুক ও করিনার ভিতরে উদ্ধার করে ময়না তাদের জন্য বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ দুইপরিবারের বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করছে মাটিয়া থানার পুলিশ।