আতাউর নামে এক গরিব ব্যক্তিকে বাড়ি করে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়া হয়েছিল। আতাউর সেই টাকা না দিয়ে একটি খাস জমিতে বাড়ি তুলতে শুরু করেন। সেটা জেনেই বাড়ি ভাঙতে যান বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপন।
পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতাকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায়। ওই তৃণমূল নেতার নাম সন্দীপন। তিনি পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সন্দীপনকে তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা নিয়মিত তোলা আদায়ে ব্যস্ত। আতাউর নামে এক গরিব ব্যক্তিকে বাড়ি করে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়া হয়েছিল। আতাউর সেই টাকা না দিয়ে একটি খাস জমিতে বাড়ি তুলতে শুরু করেন। সেটা জেনেই বাড়ি ভাঙতে যান বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপন। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় বাসিন্দাা। তাঁরা সন্দীপনকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারধর করেন। বিজেপির দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই ফল। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁদের দাবি, খেলা দেখে বাড়ি ফেরার সময় তাঁরা দেখতে পান একটি মসজিদের সামনে কয়েকজন অসামাজিক ব্যক্তি জোর করে দখল করে রয়েছে। তাঁদের উচ্ছেদ করতে গেলে সন্দীপনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। এরপরই তাঁকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারধর করা হয়।
জখম অবস্থায় সন্দীপনকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়না গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তমলুকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ময়না থানায় ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


