দুই দিনের রাজ্যসফরে দুই দফা বৈঠক বিজেপি নেতাদের সঙ্গে। লোকসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই তৃণমূলের দূর্নীতি আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর পরামর্শ অমিত শাহের। 

তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দলের দুর্নীতির মুশোখ খুলে দেওয়ার চেষ্টা করারও আহ্বান জানিয়ে গেলেন তিনি। রাজ্য বিজেপির এক সিনিয়ার নেতা তেমনই জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য বিজেপিকে শক্তিশালী করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই বিজেপির নেতা ও কর্মীদের লড়াই করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনে লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এদিন অমিত শাহ দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে পুজো দেন। বিআর আম্বেডকরের সমাধিতেই মালা দেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দুই দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন অমিত শাহ। এই সফরে তিনি দলের রাজ্যস্তরের নেতাদের সঙ্গে দুই দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশারীর করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দলকে তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, কোনও দল যদি বিরোধী আসনে বসে তাহলে সেই দলকে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারতে তবেই দলের উত্থান সম্ভব বলেও দলের নেতাদের বলেছেন তিনি।

সূত্রের খবর ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকে যাতে বিজেপি ৩৫টি আসন পায় তারও লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন অমিত শাপব। তিনি দলের নেতাদের তৃণমূলের দুর্নীতি ও নৃশংসতার মুখোশ খুলে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুন এক বিজেপি নেতা বলেছে, রাজ্য বিজেপিকে অমিত শাহ পরামর্শ দিয়েছেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাত শক্ত করার জন্য। ৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপি যাতে ৩৫টি আসন পায় তারও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তিনি। আর সেইজন্য এখন থেকেই বিজেপি নেতা ও কর্মীদের কঠোর পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন অমিত শাহ।

শুক্রবার অমিত শাহ বীরভূমের একটি জনসভায় ভাষণ দেন। সেখান থেকেই তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে সরব হন। যদিও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো গতকালই বলেছেন, ২০২৫ সালের পর এই রাজ্যে বিজেপির কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। কথা প্রসঙ্গে তিনি সাগরদিঘির উদাহরণ তুলে ধরেন। বলেন সেখানে বিজেপি তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।

অমিত শাহের বীরভূম সফর ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তরজা শুরু হয়ে গিয়েছিল। শুক্রবার সংক্রান্তির দিন অমিত শাহ এই রাজ্য সফরে আসেন। তার আগেই তৃণমূল কংগ্রেস মনরেগা প্রকল্পের টাকা আটকে রাখার তীব্র নিন্দা করেছে। পাশাপাশি অমিত শাহরে তাঁর সফরের সময় কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট করতেও নির্দেশ দিয়েছে। অন্যেদিকে বিজেপি পাল্টা তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা করেছে। বিজেপি অভিযোগ বাংলার সরকার এই প্রল্পের জন্য গত তিন বছর কোনও অর্থ ব্য়ায় করেনি।