- Home
- West Bengal
- West Bengal News
- ভোটের আগে বিজেপির 'রাম' রাজনীতি, বাংলার এই জেলায় উঠে আসছে অযোধ্যার রাম মন্দির!
ভোটের আগে বিজেপির 'রাম' রাজনীতি, বাংলার এই জেলায় উঠে আসছে অযোধ্যার রাম মন্দির!
একদিকে দিঘার জগন্নাথ মন্দির, তার টেক্কায় এবার আসরে নামল বিজেপি। নদিয়ার শান্তিপুরে তৈরি হচ্ছে বিরাট রাম মন্দির। অযোধ্যায় তো রাম মন্দির আছেই। এবার নদিয়ার শান্তিপুরে হবে অযোধ্যার আদলে রাম মন্দির (Ram Mandir In Shantipur)। খরচ কত জানেন?

ভোটের আগে বিজেপির 'রাম' রাজনীতি, বাংলার এই জেলায় উঠে আসছে অযোধ্যার রাম মন্দির! যার জন্য ১০০ কোটি টাকার বাজেটও ধরা হয়েছে। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার নয়, বিজেপির উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে এই বিরাট মন্দির।
বিজেপি নেতা অরিন্দম ভট্টাচার্য সহ বাকিদের উদ্যোগে এই সুবিশাল রাম মন্দির তৈরি হতে চলেছে শান্তিপুরে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়ার ২ নম্বর পঞ্চায়েতের চাপাতলায় ১০০ কোটির এই রাম মন্দির তৈরি হবে।
শান্তিপুরে রাম মন্দির নিয়ে যা জানাল ট্রাস্ট
শান্তিপুরে গড়ে উঠতে চলা রাম মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সম্পাদক লিটন ভট্টাচার্য জানান, ২০১৭ সাল থেকে এই মন্দির গড়ার কাজ চলছে। গত বছরে (২০২৫) সরকার ট্রাস্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে তাদের সংগঠনকে। এ বছর থেকে কাজ শুরু হবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মন্দির সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। লিটনবাবু জানান, সাধারণ মানুষদের থেকে সহযোগিতা নিয়ে এই মন্দির গড়া হবে।
শান্তিপুরের রাম মন্দির ট্রাস্ট কমিটির সভাপতি তথা শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের উদ্যোগেই এই মন্দির গড়া হচ্ছে বলে দাবি ট্রাস্টের। এছাড়াও ফুলিয়ার ঐতিহাসিক কবি যিনি প্রথম বাংলায় রামায়ণ লিখেছিলেন, সেই কৃত্তিবাস ওঝার লেখা রামায়ণের অংশ এখন সুদূর ফ্রান্সে রয়েছে। ট্রাস্ট দাবি করেছে যে, সেটিও এবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শান্তিপুরের রাম মন্দির নিয়ে বড় মন্তব্য জগন্নাথ সরকারের
এই প্রসঙ্গে রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার জানিয়েছেন, হিন্দুদের জন্য মন্দির হচ্ছে খুবই ভালো। তিনি ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেন স্বচ্ছ থাকবে, তা আশা করেছেন।
উল্লেখ্য, এই মন্দিরটি ১৫শ শতাব্দীর মহান কবি কৃত্তিবাস ওঝার সম্মানে তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বলে দিই, কৃত্তিবাস ওঝা সংস্কৃত রামায়ণকে ‘শ্রীরাম পাঁচালী’ হিসেবে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। বাংলার ঘরে ঘরে পঠিত এই রামায়ণের রচয়িতার স্মৃতিতে এই মন্দিরটি ‘বাঙালি রাম’-এর ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেবে।

