স্ত্রীকে খুন করে দেহ দুই টুকরো করে ক্যানালের জলে ফেলে দিয়েছিল স্বামী। স্বামীর এই স্বীকারোক্তির পরে ক্যানালে শুরু তল্লাশি । ২৪ ঘণ্টা পরেও চলছে তল্লাশি অভিযান। 

দীর্ঘ তল্লাশির পর শিলিগুড়ির তিস্তা ক্যানাল থেকে উদ্ধার হল নিতহ রেনুকা খাতুলের দেহের অংশ। তবে এখনও রেনুকার মুণ্ডু উদ্ধার করা যায়নি। তিস্তা ক্যানালের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে। তবে রেনুকার মৃত্যু নিয়ে ক্রমশই রহল্য ঘনীভূত হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

২৪ ডিসেম্বর গৃহবধূর পরিবার থানায় অভিযোগ জানায় যে গৃহবধূ নিখোঁজ রয়েছে।এরপরই তদন্তে নামে শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। বুধবার রাতে গৃহবধূর স্বামী এম ডি আনসারুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।এরপরই পুলিশের সন্দেহ হয়।পুলিশি জেরায় এম ডি আনসারুল স্বীকার করে যে তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ করত সে।গত ২৪ ডিসেম্বর ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ফাঁসিদেওয়ায় নিয়ে যায় সে।এরপর সেখানে স্ত্রীকে চাকু দিয়ে খুন করে এবং দেহ থেকে মাথা আলাদা করে।পরে দেহ এবং মাথা দুটি আলাদা-আলাদা বস্তায় ভরে ক্যানেলে ফেলে দেয় সে। মৃতার স্বামীর এই কথা জানানোর পরই তিস্তা ক্যানালে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই তিস্তা ক্যালানে নামে তদন্তকারীরা। নিয়ে আসা হয় ডুবুরি। শুক্রবার সকালে পুলিশ জানিয়েছে তিস্তা ক্যানেল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি বস্তাবন্দি দেহ। দেহাংশ মিললেও এখনও পর্যন্ত মুণ্ডু উদ্ধার হয়নি। সেটির সন্ধানে তল্লাশি অভিযান এখনও চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

রেনুকা খুনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছ সন্দেহে স্ত্রী রেনুকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে দেহ দু টুকরো করে ফুলবাড়ী ক্যানালে ফেলে দিলেন স্বামী। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়ার গোয়ালটুলি মোড় সংলগ্ন এলাকায়। গত ৬ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং শিলিগুড়ির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাদাভাই কলোনিতে থাকত দম্পতি।

ওই গৃহবধূ শিলিগুড়ির কলেজ পাড়ায় একটি বিউটি পার্লারে কাজ শিখতে যেত বলে জানা গিয়েছে।গত ২৪ ডিসেম্বর গৃহবধূর পরিবার থানায় অভিযোগ জানায় যে গৃহবধূ নিখোঁজ রয়েছে।এরপরই তদন্তে নামে শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। বুধবার রাতে গৃহবধূর স্বামী এম ডি আনসারুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।এরপরই পুলিশের সন্দেহ হয়।পুলিশি জেরায় এম ডি আনসারুল স্বীকার করে যে তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ করত সে।গত ২৪ ডিসেম্বর ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ফাঁসিদেওয়ায় নিয়ে যায় সে।এরপর সেখানে স্ত্রীকে চাকু দিয়ে খুন করে এবং দেহ থেকে মাথা আলাদা করে।পরে দেহ এবং মাথা দুটি আলাদা-আলাদা বস্তায় ভরে ক্যানেলে ফেলে দেয় সে। মৃত দেহের তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ ।

আরও পড়ুনঃ

রাজনীতির লড়াইয়ের আঁচ এবার প্রক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে, অশোক গেহলটের 'গোপন কথটি রবে না গোপনে'

মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ল প্রশিক্ষণরত বিমান, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু পাইলটের

বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় বিহার থেকে গ্রেফতার তিন নাবালক, আজ পেশ আদালতে