ফণীর দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্রীক্ষেত্র পুরীর সনাতনী ঐতিহ্যের। কিন্তু বদল হয়নি আচার সংস্কার। প্রতি বছরের মত এবারও সেখানে অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই শুরু হচ্ছে জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার নতুন রথ তৈরি।  

অতি প্রাচীন কাল থেকেই বৈশাখের শুক্লপক্ষের তৃতীয় দিনটিকে শুভ ধরা হয়। কিন্তু কেন এই বিশেষ দিন? কী তার মাহাত্ম্য? আসুন চোখ রাখা যাক।

পুরাণ মতে, এই দিন শ্রীবিষ্ণুর অবতার ষষ্ঠ অবতার পরশুরামের জন্মদিন এই দিন।

এই দিনই মহাকবি ব্যাসদেব মহাভারত রচনা শুরু  করেন।

জৈন ধর্মেও এই দিনটিকে অপরিসীম গুরুত্ব দেওয়া হয়। জৈন সাধু তীর্থঙ্কর ঋষভনাথ এই দিনে উপবাস ভঙ্গ করেছিলেন বলে ধরা হয়। 

প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে এই দিন রাজা ভগীরথ গঙ্গাকে মর্তে নিয়ে এসেছিলেন।

অক্ষয় তৃতীয়ায় কেন সোনা কেনা হয়? 

অক্ষয় শব্দের অর্থ যার ক্ষয় নেই। সনাতনী বিশ্বাস এই দিন কোনও ধন সম্পদ কিনলে তা অক্ষয় হয়। ধরা হয় এই দিন কোনও শুভকাজ করলে তাও অনন্ত কাল ফল দেবে। এই জন্যে অনেকে এইদিন দান ধ্যানও করেন।

হালখাতা

অনেক ব্যবসায়ী এইদিন হালখাতাও করেন। আসলে এই দিন কুবের লক্ষ্মী পুজো করেছিলেন বলে কথিত আছে। তাই এই দিন নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিনটির মতোই অনেকে হালখাতা করেন।