সম্পত্তি নিয়ে বিবাদে ছেলেই খুন করে দিল না তো? বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়াল বীরভূমের মল্লারপুরে। গভীর রাতে বাড়ি থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতার ছেলের গতিবিধি উপর নজর রাখছেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন: জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে ভয়াবহ দাবানল, ভষ্মীভূত 'তোর্সার ঘাসবন'

মৃতার নাম চায়না মণ্ডল। বাড়ি, মল্লারপুরের বড়তুড়ি পঞ্চায়েতের ঝোড়সনকপুর গ্রামে। স্বামী প্রয়াত, মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন চায়না। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মেয়ের নামে যাবতীয় সম্পত্তি লিখে দিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধার স্বামী। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মারা যান তিনি। এরপরই সম্পত্তি নিয়ে মা ও ছেলের মধ্যে অশান্তি হয়। জানা গিয়েছে রবিবার রাতে মায়ের কোনও সাড়া বা পেয়ে এক প্রতিবেশীকে ফোন করেন চায়নাদেবীর ছেলে অরুণ। তিনি যখন দরজার শিকল খুলে বাড়ির ভিতরে ঢোকেন, তখন দেখেন সিঁড়ি নিচে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই বৃদ্ধা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: গোপনে 'দ্বিতীয় বিয়ে', বাঁকুড়ায় গ্রেফতার বিজেপির মণ্ডল সভাপতি

কীভাবে মারা গেলেন চায়না মণ্ডল? পরিবারের লোক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্পত্তির লোভে তাঁকে খুন করেছেন ছেলে অরুণই। যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। মৃতার ছেলের দাবি, ঘটনার দিন রাতে তাঁর মা কখন বাড়িতে ফিরেছেন, তা টেরই পাননি। গভীর রাতে বাথরুমে যেতে গিয়ে দেখেন, সিঁড়ির দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীকে ফোন করেন তিনি। অরুণের গতিবিধির উপর নজর রাখছে পুলিশ।