ডিম প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। এতে প্রোটিন, জরুরি ভিটামিন আর মিনারেলস থাকে। ওজন কমাতেও ডিম খুব সাহায্য করে। কিন্তু অনেকেই ঠিকমতো জানেন না যে ওজন কমানোর জন্য ডিম কী ভাবে খাওয়া উচিত।
ডিমে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন আর মিনারেলস থাকে। ওজন কমাতেও ডিম খুব সাহায্য করে। কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না, ওজন কমানোর জন্য ডিমটা ঠিক কী ভাবে খাওয়া উচিত।
27
ভিটামিন ডি, বি ভিটামিন ও কোলিন ডিমের কুসুমেই থাকে।
অনেকে কুসুম-সাদা অংশ মিলিয়ে গোটা ডিম খান, আবার কেউ শুধু সাদা অংশ। ডিমের বেশিরভাগ ভিটামিন (যেমন ভিটামিন ডি, বি ভিটামিন, কোলিন) আর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কিন্তু কুসুমেই থাকে।
37
ওটমিলের সঙ্গে ডিম খেলে ওজন কমাতে সাহায্য হয়।
ওটমিলে থাকা কার্বোহাইড্রেট হজম হয় ধীরে। এটি খিদে কমায় এবং ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম বাড়াতে ওটসের সঙ্গে ডিম খেলে ওজন দ্রুত কমে।
পেশি গঠন বা ওজন কমাতে দু-তিনটে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।
ডিমের সাদা অংশে প্রায় পুরোটাই প্রোটিন, ক্যালোরি আর ফ্যাট খুব কম। তাই পেশি তৈরি করতে বা ওজন কমাতে রোজ দু-তিনটে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।
57
পাঁচটা ডিমের সাদা অংশ থেকে প্রায় ৮৫ ক্যালোরি আর ১৮ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়।
দুটো গোটা ডিম থেকে প্রায় ১৪০ ক্যালোরি ও ১২ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। সেখানে পাঁচটা ডিমের সাদা অংশ খেলে শরীরে যায় মাত্র ৮৫ ক্যালোরি, কিন্তু প্রোটিন মেলে ১৮ গ্রাম।
67
রোজ পাঁচটা ডিমের সাদা অংশ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
ওজন কমাতে চাইলে রোজ পাঁচটা ডিমের সাদা অংশ খাওয়া খুব স্বাস্থ্যকর। এতে পেশি ঠিক রাখার জন্য জরুরি প্রোটিনও পাওয়া যায়, আবার সহজেই 'ক্যালোরি ডেফিসিট' বজায় রাখা যায়।
77
খাবার তালিকায় রোজ ১ থেকে ৩টে ডিম রাখতে পারেন।
তেল বা মাখন ছাড়া ডিম খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তাই ডিম সেদ্ধ করে বা পোচ করে খেতে পারেন। রোজকার ডায়েটে ১ থেকে ৩টে ডিম রাখাই যায়।