স্বাস্থ্যকর ও ঝলমলে চুল শুধু যত্নের উপর নির্ভর করে না, সুষম খাবারের ভূমিকাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজে ভরপুর খাবার চুলের শক্তি, বৃদ্ধি এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
27
সুষম খাবার চুলের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে
চুলের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধির জন্য জরুরি পুষ্টিগুণে ভরপুর সুষম খাবার খাওয়া দরকার। এই গ্যালারিতে আমরা এমন কিছু খাবারের কথা বলব যা চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে দারুণ সাহায্য করে।
37
ডিম খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয়
ডিম খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয়, চুল ঝলমলে হয় এবং চুল ভাঙা কমে। এর মধ্যে থাকা হাই-প্রোটিন চুলের দুর্বল অংশগুলোকে সারিয়ে তোলে। ডিমের কুসুমের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শুকনো চুলকে নরম করে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ভিটামিন ও খনিজ চুলের গোড়ায় পুষ্টি জুগিয়ে স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
শাকসবজি চুল ভাঙা কমায় এবং স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা ধরে রাখে
শাকসবজিতে আয়রন, ফোলেট, ভিটামিন এ এবং সি থাকে, যা চুলের কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করে। পালং শাকের মতো খাবার চুলের গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছাতে সাহায্য করে, চুল ভাঙা কমায় এবং স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
57
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে। শরীর এটিকে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত করে, যা স্ক্যাল্পকে স্বাস্থ্যকর এবং আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং তামা কোষের বৃদ্ধি, স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক তেল নিঃসরণ এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।
67
স্যামন, ম্যাকেরেলের মতো মাছ প্রদাহ ও চুল পড়া কমায়
স্যামন, ম্যাকেরেলের মতো চর্বিযুক্ত মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি থাকে। এই উপাদানগুলি স্ক্যাল্পের প্রদাহ কমায় এবং চুলের ফলিকল বা গোড়ার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে, ফলে চুল পড়া কমে।
77
আখরোট, আমন্ড ও ব্রাজিল নাটস চুলের গোড়া মজবুত করে
বিভিন্ন ধরনের বাদাম চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে কারণ এতে বায়োটিন, ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং জিঙ্কের মতো জরুরি পুষ্টি থাকে। আখরোট, আমন্ড এবং ব্রাজিল নাটস এক্ষেত্রে সেরা। রোজ একমুঠো (প্রায় ২৫-৩০ গ্রাম) লবণ ছাড়া কাঁচা বা জলে ভেজানো বাদাম খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।