আমাদের সংস্কৃতিতে তুলসী গাছের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই তুলসী গাছ দেখা যায়। এই গাছটি তার ঔষধি গুণের জন্য পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা ১০ দিন ৪টি করে তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে শরীরে কী কী পরিবর্তন আসে, তা এখানে জেনে নিন।
তুলসী পাতা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটি বহু শতাব্দী ধরে আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪-৫টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে শরীরের অনেক উপকার হয়।
27
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
তুলসীতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি সর্দি, কাশি এবং ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ১০ দিন তুলসী পাতা খেলে শরীর ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর হয়।
37
শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
তুলসী শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলী শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়। হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস ও সাইনাসের সমস্যায় এটি কার্যকর। ১০ দিন এটি খেলে কফ কমে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, তুলসী পাতা হজমশক্তি উন্নত করে। এটি গ্যাস, বদহজম এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। ১০ দিন তুলসী পাতা খেলে হজমের সমস্যা কমে ও খিদে বাড়ে।
57
স্নায়ুতন্ত্রের উপর ইতিবাচক প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলসী পাতা স্নায়ুতন্ত্রের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ১০ দিন এটি খেলে মন শান্ত থাকে, ঘুম ভালো হয় এবং শরীরে শক্তি আসে। এটি প্রাকৃতিক স্ট্রেস রিলিভার হিসেবে কাজ করে।
67
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য
কিছু গবেষণা অনুযায়ী, তুলসী পাতা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তবে ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের রোগীরা এটি খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
77
দিনে ৪-৫টি তাজা পাতা
তুলসী পাতা খাওয়ার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই এটি খাওয়া উচিত। দিনে ৪-৫টি তাজা পাতা যথেষ্ট।