
Pakistan Cricket: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজ (Pakistan tour of England 2026) চলাকালীন মাঠের মতো মাঠের বাইরেও অস্বস্তিতে পাকিস্তান। এবার ড্রেসিংরুমের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগের তদন্তে পাকিস্তানের জাতীয় দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মহম্মদ রিজওয়ান (Mohammad Rizwan) ও ইমাম-উল-হককে (Imam-ul-Haq) লাহোরে (Lahore) জিজ্ঞাসাবাদ করল পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (Pakistan’s National Cyber Crime Investigation Agency)। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (Pakistan Cricket Board) সাইবার এজেন্সির কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর দুই ক্রিকেটারকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ঠিক কী ধরনের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের বিষয়ে NCCIA-ও এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
পাকিস্তান ক্রিকেটে বড় ধরনের শৃঙ্খলাজনিত অস্থিরতার মধ্যেই সামনে এসেছে এই ঘটনা। লর্ডস টেস্টের (Lord’s Test) পর শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রিজওয়ান ও ইমাম-সহ সাত ক্রিকেটারকে ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাঁদের সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফের দুই সদস্যকেও দেশে ফেরানো হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও ইমামের মোবাইল ফোন সাইবার অপরাধ বিভাগের হাতে তুলে দিয়েছেন পাকিস্তান দলের সিকিউরিটি ম্যানেজার। দুই ক্রিকেটারই তাঁদের ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য দিতে সম্মতি জানিয়েছেন। তবে সাইবার অপরাধ বিভাগের জিজ্ঞাসাবাদের লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য দু’জনই অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে একজনকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অন্যজনকে একটি প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পিসিবি-র এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে সাইবার অপরাধ বিভাগ। তবে তদন্ত এখনও চলায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে সাইবার এজেন্সির কাছে অভিযোগ দায়ের করার ঘটনা পাকিস্তান ক্রিকেটে নজিরবিহীন। ফলে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ঘটনায় রয়েছে একটি অস্বাভাবিক রাজনৈতিক যোগও। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি (Mohsin Naqvi) একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। সাইবার অপরাধ বিভাগ তাঁর মন্ত্রকের অধীনেই কাজ করে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।