
Indian Super League 2026: ঝাড়গ্রাম থেকে এসেছেন সুব্রত দাস। বৃহস্পতিবার রাতে কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইন্টার কাশীর (Inter Kashi FC) বিরুদ্ধে ম্যাচ দেখার পর শুক্রবার ক্লাব তাঁবুতে জয় উদযাপন করতে হাজির হন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) সমর্থক সুব্রত। এক খুদে সমর্থক গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে প্রবল আবেগে লাল-হলুদ পতাকা নাড়াচ্ছিল আর চিৎকার করে উঠছিল, 'জয় ইস্টবেঙ্গল।' পরিবারের কোনও এক ঘনিষ্ঠ সদস্যকে হারিয়েছেন এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তিনি অশৌচ অবস্থায় কাছা নিয়েই প্রিয় দলের আইএসএল জয় উদযাপন করতে ক্লাবে এসেছিলেন। এক সমর্থকের বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে। প্লাস্টার নিয়েই তিনি ক্লাব তাঁবুতে হাজির হয়েছিলেন। শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধে পর্যন্ত গড়ের মাঠের লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে এমনই কয়েক হাজার মানুষকে দেখা গেল। বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ ইস্টবেঙ্গলের প্রতি ভালোবাসার টানে একত্রিত হয়েছিলেন। কলকাতা ফুটবলের মাহাত্ম্য এখানেই।
বৃহস্পতিবার রেফারি ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজানোর পরেই কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মাঠে নেমে পড়েন কয়েক হাজার সমর্থক। ফলে মাঠে ট্রফি ও ফুটবলারদের ব্যক্তিগত পুরস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্টেডিয়ামের অন্দরমহলে ট্রফি দেওয়া হয়। শুক্রবার বিকেলে ইস্টবেঙ্গল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফি ও ফুটবলারদের পুরস্কার দিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (All India Football Federation) সভাপতি কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey)। মাঠে ট্রফি নিয়ে নেচে উঠলেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা (Edmund Lalrindika), কেভিন সিবিলেরা (Kevin Sibille)। সমর্থকদের আবেগ দেখে ফুটবলাররাও আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন। কোচ অস্কার ব্রুজোঁও (Oscar Bruzon) গ্যালারির দিকে এগিয়ে গিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে সাফল্য উদযাপন করলেন।
এদিন থিম সংয়ে সরগরম ছিল লাল-হলুদ তাঁবু। একাধিক সমর্থক বাজনা নিয়ে এসেছিলেন। গ্যালারির পূর্ব দিকের অংশে আতসবাজি পোড়াচ্ছিলেন অনেক সমর্থক। পুলিশের নিষেধাজ্ঞাও লাল-হলুদ আবেগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। একাধিক অত্যুৎসাহী সমর্থক মাঠে নেমে পড়েছিলেন। তাঁদের ধরে মাঠের বাইরে বের করে দেন পুলিশকর্মীরা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।