বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রীর দাবি আর্টিস্ট ফোরাম বিরুদ্ধে রাজনীতি করছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টিভি প্রডিউসার। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। সেখানে আর্টিস্ট ফোরামের পাশে দাঁড়িয়ে প্রযোজকদের মুখোশ খুলে ফেলার চেষ্টা করে দেবযানী। শিল্পীরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নিত্যদিন অভিনয় করছেন মাস্ক ছাড়া, গ্লাভস ছাড়া। শুধুমাত্র দর্শককে বিনোদনের যোগান দেবেন বলে। তার বদলে প্রযোজকরা তাঁদের জীবনের একফোঁটা সুরক্ষা নিতে পারছে না। এমন কেন হবে। কী এমন চেয়েছে শিল্পীরা। সামান্য একটি দাবি মাত্র। আর মাথায় রাখবেন আর্টিস্ট ফোরাম শিল্পীদের এবং টেকনিশিয়ানদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। তাঁদের নিজেদের কোন স্বার্থ নেই।

আরও পড়ুনঃ'নিজের শিকড়টা কখনওই ভুলে যাওয়া উচিত নয়', প্রিয়ঙ্কাকে পরামর্শ করিনার

শিল্পীদের সুরক্ষা বজায় রেখে যাতে শ্যুটিং শুরু হয় সেই চেষ্টাই করছেন আর্টিস্ট ফোরামের সদস্যরা। দয়া করে ওনাদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করবেন না। প্রযোজকদের কথা শুনে যাঁরা এই মুহূর্তে আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা একটু ভাবুন। চিন্তা করুন আর্টিস্ট ফোরামের এতে কোন স্বার্থ নেই। দেবযানী পোস্টে বলেন, "ওয়েস্ট বেঙ্গল টিভি প্রডিউসারস তরফ থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে, 'ফেডারেশন, প্রযোজকদের যৌথ উদ্যোগ ও সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও, শুধুমাত্র আর্টিস্ট ফোরামের ইচ্ছাকৃত আপত্তি থাকার কারণে আমরা কাল থেকে শুরু করতে পারছি না। এমত অবস্থায় আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে যতদিন না করোনা পরিস্থিতি দেশ থেকে সরবে ততদিন আমরা শ্যুট শুরু করব না।' আপনাদের কি মনে হয় না এই কথাটা একটা নিছক অজুহাত মাত্র নয় কি।"

আরও পড়ুনঃবিতর্কে নয়, ক্রপ টপে 'কামারিয়া'র হট পোজে রেশমি

প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। যেখানে রূপাঞ্জনা মিত্র সায়নীর বিরোধিতা করেন। সেই পোস্ট কেও উদ্দেশ্য করে দেবযানী এই ভিডিও পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। তাঁর অনুরোধ এই মুহূর্তে আর্টিস্ট ফোরাম সকল শিল্পীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রযোজকদের কথা শুনে শিল্পীরা যেন নিজেদের মত না বদলায়। নিজের ভিডিওর মাধ্যমে অন্যান্য অভিনেতা, অভিনেত্রী এবং টেকনিশিয়ানদের অনুরোধ করলেন যাতে আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে এই রাজনীতিকে একেবারে সমর্থন না করেন। প্রযোজকরা যে রাজনীতি শুরু করেছেন যা শিল্পী এবং টেকনিশিয়ানদের মধ্যে বিভাজন আনছে। এই সদ্য শুরু হওয়া রাজনীতিকে যেন একেবারেই বাহবা না দেওয়া হয়।