স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। টলিপাড়ার প্রথমসারির অভিনেত্রীদের বরাবরই তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত। প্রতিবাদের ঝড় সবসময়েই উঠেছে তার গলায়। কোনও কিছু মুখ বুঝে সহ্য করা তার সহজাত নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময়েই তিনি গলা চড়িয়ে গর্জে ওঠেন।  সম্প্রতি তার অভিনয়ে সাড়া ফেলেছে বিনোদন জগতে। বলি অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মার প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে 'পাতাল লোক'-এ তার অভিনয় দারুন নজর কেড়েছে।

আরও পড়ুন-বেধড়ক মার থেকে চরম সন্দেহ, একাধিকবার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ঐশ্বর্য ...

ডিপ্রেশন। এটা যেন স্বস্তিকার সহজাত। এর আগেও ডিপ্রেশনের চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন স্বস্তিকা। তার উপর আবার নিজের পছন্দের আর একটা কমফোর্ট জোনও ছবিতে ছিল স্বস্তিকার। স্বস্তিকা বরাবরই পশুপ্রেমী। স্ট্রে-ডগস নিয়ে এনজিও সঙ্গে স্বস্তিকাও যুক্ত রয়েছে। পাতাল লোক যারাই দেখেছে তারই একবারে সাবিত্রীর সঙ্গে ডলির বন্ডিং-এর কথা তুলে ধরেছে। স্বস্তিকা নিজেও হয়তো ভাবেননি যেখানে সমাজের রাজনীতির অন্ধকার দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে, সেখানে ডলি মেহরা এতটা জনপ্রিয় হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন-পিরিয়ড চলাকালীন খুল্লামখুল্লা পোস্ট, ব্যাপক ট্রোলের মুখে জনপ্রিয় টেলি তারকা...

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাতাল লোক নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অনেক কথাই তুলে ধরেছেন স্বস্তিকা। স্বস্তিকা জানিয়েছেন, 'বাবার খুব ইচ্ছে ছিল পাতাল লোক দেখার, কিন্তু সেই ইচ্ছেপূরণ আর হল না। তার আগেই সব শেষ। বাবা সবসময়েই সাপোর্টিভ ছিলেন। যখন এই ছবির শুটিং চলছিল দিল্লিত তখনও রোজ ফোন করে খবর নিতেন। পরিচালক পছন্দ করছে তো, অভিনয় ঠিক হচ্ছে তো এই কথাই রোজ বলত বাবা। তবে অভিনয়ের বিনিময়ে কত টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছি, বা কে পরিচালক, কোন প্রোডাকশ হাউজ তা কোনওদিনও জানতে চায়নি বাবা। এখন সবাই কাজের প্রশংসা করছে। বাবা থাকলেও খুবই খুশি হতেন।' ডলির চরিত্র এতটাই মনে ধরেছে সিনেমাপ্রেমীদের যে স্বয়ং বিদ্যা বালনও তাকে ফোন করে প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে লকডাউনের জন্য মুম্বইতে আটকে রয়েছেন অভিনেত্রী।