প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকারক। বহুদিন ধরেই শপিং-মল থেকে অধিকাংশ ফুটপাতের দোকানেও কাপড়ের ব্যাগের ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটিরাও প্লাস্টিক বর্জনের জন্য নানা ধরণের ক্যাম্পেনের আয়োজন করে থাকেন। এবার আয়রনি হল এই জায়গায়, প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক হলেও শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকারক নয়। এমনটা অন্তত মনে করেন ফিল্মজগতের শ্লিপীরা। গন আন্ডার নাইফ, এই নিয়ে প্রশ্ন করতেই যে কোনও সেলিব্রিটিই বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ ছবির ব্যর্থতার দায় কার, রজনীকান্তের কাছে টাকা ফেরত দেওয়ার আর্জি

আরও পড়ুনঃ রক্তরহস্য-র গন্ধ, হাওড়া ব্রিজে ছুঁটলেন কোয়েল, প্রথম ঝলকেই বাজিমাত

টেলিঅভিনেত্রী মৌনি রায়কে লিপ ফিলারসের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করতেই সাক্ষাতকার ছেড়ে উঠে গিয়েছিলেন তিনি। এই দলের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে ব্যতিক্রম হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন সোনম কাপুর। সেই তালিকায় সম্প্রতি নাম লিখিয়েছেন কমল হাসানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শ্রুতি হাসান। "প্লাস্টিক সার্জারির সাহায্যে নিজের রূপে বদল এনেছে, এ কথা অসংখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই স্বীকার করতে ভয় পান।" 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের লিপ ফিলারস নিয়ে অবসেশন থেকে শুরু করে নানা বিস্ফোরক মন্তব্য করে ফিল্মি-দুনিয়াকে তাক লাগিয়েছেন শ্রুতি। তাঁর কথায়, প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে লুকিয়ে যাওয়ার কোনও জাস্টিফিকেশন নেই। সারাক্ষণ পাপারাৎজি থেকে শুরু করে ফ্যানেদের তীক্ষ্ণ নজরে রয়েছেন সেলেব্রিটিরা। নেটদুনিয়ার সুবাদে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রায় চব্বিশ ঘন্টারই আপডেটই পেয়ে থাকি আমরা। সেই জায়গায় দাড়িয়ে প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে মিথ্যে বলা বোকামোই বটে। "আমি চাই না নতুন প্রজন্মের মেয়েরা ভাবুক আমি এভাবই ঘুম থেকে উঠি। আমি ন্যাচারালই এতটা সুন্দর। যা সত্যি তা স্বীকার করতে কোনও দ্বিধাবোধ নেই আমার।" 

আরও পড়ুনঃ মাডার থেকে কবীর সিং, এক ঝলকে বলিউডের সেরা চুমুর দৃশ্য যা ঝড় তুলেছিল দর্শক মহলে

তিনি বলেন, "আমায় বলা হয়েছিল আমায় সম্পূর্ণরূপে ভারতীয় দেখতে লাগে না। যার পরই আমি লিপ ফিলার্স-এর সাহায্য নিয়ে নিজের ঠোঁটের ভোল পাল্টে ফেলি।" তিনি এও জানান, কারও বলার আগেই পাতলা ঠোঁট নিয়ে ইনসিকিরিটিতে ভুগতেন তিনি। দু'বছরের লিপ ফিলারস এক্সপেরিমেন্টের পর অবশেষে সন্তুষ্ট হয়েছেন দক্ষিনী নায়িকা। নাকের সার্জারির বিষয় কথা বলতে গিয়ে শ্রুতি বলেন, তাঁর নাকের আকার নিয়ে তিনি খুশি ছিলেন না। ছোটবেলা থেকে বেশ কয়েকবার ব্যাথা পাওয়ার পর নাকের আকার খানিক বেঁকেও যায়। নিজের "গন আন্ডার নাইফ" নিয়ে যে কেবল যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করেছেন তাই নয়, শারীরিক সমস্যার নিয়ে তিনি পিসিওএসের (পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম) বিষয় খোলসা করেন।