তিন ইতালীয় নিয়ে আতঙ্ক পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও গুসকরা এলাকায়। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস  পরে প্রশাসনের কর্তারা দ্রুত পৌছে যান ইতালি থেকে আসা ওই মহিলাদের কাছে । তাদের পাসপোর্ট ,ভিসা এবং ফিট সার্টিফিকেট দেখে তারা। প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশে  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনুষ্ঠান না করেই ইতালি থেকে আসা তিন মহিলাকে শেষপর্যন্ত  রাঁচি ফিরে যেতে হয় । 

টিকিট দেওয়ার অছিলায় মহিলাকে স্পর্শ, প্রকাশ্য়ে মেট্রো কর্মীর কুকীর্তি

ইতালীয় এই তিন মহিলা আউশগ্রামের কয়রাপুরের কাছে  একটি অনাথ আশ্রমে  যান । সেখান থেকে যান গুসকরা স্কুল মোড়ের আদিবাসী মহিলাদের স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির একটি যন্ত্রের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে। এখানেই পুলিশ  তিন  মহিলার সম্পর্কে খোঁজ নেন । পুলিশ জানতে পারে ২৭ ফেব্রুয়ারি  রাত ২ টো নাগাদ তিন বিদেশী মহিলা দমদম বিমান বন্দরে নামেন । সেখানে তাদের স্বাস্থ পরীক্ষা হয় । কিন্তু  করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হবার কোন লক্ষণ ধরা পড়েনি। তাই না বিমানবন্দর থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় । 

বিজেপিতে অন্য়দের সঙ্গে কথা বলেন, দিলীপের সঙ্গে সম্পর্ক নেই শোভনের

এরপর সেখানে থেকে তারা চলে যান দুমকা । সেখানে থেকে রাঁচিতে পৌছান ।  বুধবার বর্ধমানে একটি চার্চে এসে ওঠেন তারা। বৃহস্পতিবার  দুপুরে  ভাতারের জামবুনি গ্রামে  স্বেচ্ছাসেবী   সংস্থা আয়োজিত  অনুষ্ঠানে তিন বিদেশীনি যোগ দিতে গেলে পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তারা তাদের আটকে দেন । ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিক তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।  সবকিছু ঠিক থাকলেও ব্লক প্রশাসনিক কর্তারা কোন ঝুঁকি নিতে চাননি । 

করোনা ভাইরাসের সাইজ বড়, কাপড়েই রোখা যাবে-বললেন দিলীপ

 ইতালির তিন মহিলাকে রাঁচি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন । স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সিংহরায় বলেন,  দীর্ঘদিন ধরেই এই ইতালিয়ানরা ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় সামাজিক কাজ করে চলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই তিনজন ভারতে এসেছেন প্রায় ১৪ দিন। এমনকি তাঁরা সম্পূর্ণ সুস্থই।