- Home
- Business News
- PAN Card Photo Change: প্যান কার্ডে পুরনো ছবি? ঘরে বসেই বদলে ফেলুন, জানুন আবেদনের সহজ উপায়
PAN Card Photo Change: প্যান কার্ডে পুরনো ছবি? ঘরে বসেই বদলে ফেলুন, জানুন আবেদনের সহজ উপায়
PAN Card Photo Change: প্যান কার্ডের পুরনো ছবি নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন? অনলাইনে কীভাবে এই ছবি বদলাবেন, কত খরচ হবে এবং কী কী নথির প্রয়োজন— সব খুঁটিনাটি রইল এই প্রতিবেদন। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

আপনার প্যান কার্ডের পুরনো ছবি বদলাবেন কীভাবে?
আপনার প্যান কার্ডে কি বহু বছর আগের ছবি রয়ে গেছে? বর্তমান চেহারার সঙ্গে সেই ছবির মিল না থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, লোনের আবেদন বা অন্যান্য পরিচয়ের প্রমাণ দেওয়ার সময় আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন। প্যান কার্ড শুধু আয়করের কাজেই লাগে না। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা, বিনিয়োগ বা লোনের মতো নানা আর্থিক কাজেও এর দরকার হয়। তাই কার্ডের ছবি খুব পুরনো বা অস্পষ্ট হলে তা বদলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য নতুন প্যান নম্বরের দরকার নেই। পুরনো প্যান নম্বরেই আপনি সংশোধনের আবেদন করতে পারেন। আয়কর দফতরের অনুমোদিত প্যান পরিষেবা সংস্থা প্রোটিন (Protean) এবং ইউটিআইআইটিএসএল (UTIITSL)-এর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই কাজ করা যায়।

জানুন পুরনো প্যান কার্ডের তথ্য বদলের নিয়ম
ছবি বদলাতে চাইলে প্রথমে অনুমোদিত প্যান ওয়েবাসাইটে যান। সেখানে পুরনো প্যান কার্ডের তথ্য বদল বা সংশোধনের অপশন বেছে নিন। এখানে একটা জরুরি বিষয় মাথায় রাখবেন। ইউটিআইআইটিএসএল (UTIITSL) জানিয়েছে, পুরনো ফর্ম 49A সংক্রান্ত নিয়ম ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে বদলে গেছে। নতুন প্যান আবেদনের ফর্ম চালু হওয়ায়, যাঁদের আগে থেকেই প্যান কার্ড আছে, তাঁদের তথ্য সংশোধনের জন্য বর্তমান 'চেঞ্জ বা কারেকশন' পদ্ধতিই ব্যবহার করতে হবে। আবেদনে প্যান নম্বর, নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল আইডি ঠিকঠাক দিতে হবে। ছবি বদলানোর সময় নির্দিষ্ট ফরম্যাটে সাম্প্রতিক ও স্পষ্ট ছবি আপলোড করবেন। আপনি কীভাবে আবেদন জমা দিচ্ছেন, তার ওপর ভিত্তি করে পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথিও দিতে হতে পারে। ইউটিআইআইটিএসএল ওয়েবসাইটে আধার-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি (e-KYC) পদ্ধতিতেও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।
ই-প্যান কার্ডের জন্য আবেদন জানাবেন কীভাবে?
খরচের দিকটাও মাথায় রাখা দরকার। সব ক্ষেত্রেই যে ছবি সংশোধনের জন্য শুধু ৯১ টাকা এবং কর দিতে হবে, এমনটা নয়। প্রোটিন (Protean)-এর বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ঠিকানায় ডাকযোগে ফিজিক্যাল প্যান কার্ড পেতে অনলাইনে আবেদনের বেস চার্জ ৯১ টাকা। এর সঙ্গে কর যোগ করে মোট ১০৭ টাকা দিতে হয়। ই-প্যান বা কার্ড পাওয়ার পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এই খরচ বদলাতে পারে। ইউটিআইআইটিএসএল (UTIITSL) সাইটেও আবেদনের ধরন অনুযায়ী খরচ আলাদা হয়। তাই পেমেন্ট করার আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেখানো বর্তমান ফি-টাই চূড়ান্ত হিসেবে ধরে নেবেন। আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বরটি যত্ন করে রেখে দিন। পরে এই নম্বর দিয়েই আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।
অনলাইনে আবেদন করার পদ্ধতি
এখানে আরও একটা বড় প্রশ্ন আসে। অনলাইনে আবেদন করার পর কি ডাকযোগে নথি পাঠাতে হবে? এর উত্তর সবার জন্য এক নয়। আপনি কোন পদ্ধতিতে আবেদন করছেন, তার ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে। ইউটিআইআইটিএসএল (UTIITSL)-এর আধার-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি পদ্ধতিতে আবেদন করলে এবং ই-সিগনেচার (e-Sign) সম্পূর্ণ হলে, প্রিন্ট করা আবেদনপত্র সরাসরি পাঠানোর দরকার নাও পড়তে পারে। তবে, আপনার বেছে নেওয়া পদ্ধতির শেষে যদি নথি পাঠানোর নির্দেশ থাকে, তবে সেটাই মেনে চলতে হবে। এছাড়া, শুধু পুরনো ছবি থাকার জন্য প্যান কার্ড বাতিল হয়ে যায় না। প্যান নম্বরে সংশোধনের দরকার হলেই কেবল অফিশিয়াল পদ্ধতি মেনে চলা উচিত। প্যান ২.০ (PAN 2.0) সংক্রান্ত অফিশিয়াল নির্দেশিকাতেও বলা হয়েছে, যাঁদের আগে থেকেই প্যান কার্ড আছে, তাঁদের সংশোধন বা আপডেটের প্রয়োজন হলেই কেবল এই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
অফিশিয়াল প্যান ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছবি সংশোধন করুন
তাই প্যান কার্ডে বহু বছর আগের ছবি আছে বলে অযথা ঘাবড়ানোর কিছু নেই। তবে বর্তমান পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে সেই ছবি যদি অস্পষ্ট হয়, তবে অফিশিয়াল প্যান ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছবি সংশোধনের আবেদন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, প্যান কার্ড বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কোনও ভুয়া ওয়েবসাইট বা এজেন্টের হাতে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দেবেন না। ইউটিআইআইটিএসএল (UTIITSL) তাদের সাইটে স্পষ্ট জানিয়েছে, আয়কর দফতরের অনুমোদিত প্যান পরিষেবা প্রদানকারী হিসেবে শুধুমাত্র প্রোটিন (Protean) এবং ইউটিআইআইটিএসএল কাজ করে। তাই আবেদনের আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। এছাড়া, প্যান কার্ডে ছবি বদলালেই যে সব ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডে তা নিজে থেকে আপডেট হয়ে যাবে, এমনটা ভাববেন না। প্রয়োজনে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব কেওয়াইসি (KYC) পদ্ধতিও আপনাকে মেনে চলতে হতে পারে।

