- Home
- Business News
- PM Kisan Yojana: প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার কিস্তির টাকা নাও পেতে পারেন! এড়িয়ে চলুন ৩ ভুল
PM Kisan Yojana: প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার কিস্তির টাকা নাও পেতে পারেন! এড়িয়ে চলুন ৩ ভুল
PM Kisan Yojana: সারা দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষক পিএম কিষাণ যোজনার কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন, কিন্তু অনেকেরই টাকা আটকে আছে। এই প্রক্রিয়াগুলি সম্পন্ন না করলে কিস্তির টাকা পেতে দেরি হতে পারে। দ্রুত শেষ করুন এগুলি-

কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন
PM Kisan Yojana: সারাদেশের লক্ষ লক্ষ কৃষক প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (পিএম-কিষাণ) প্রকল্পের অধীনে তাদের কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন। এই প্রকল্পের অধীনে, যোগ্য কৃষকরা আর্থিক সহায়তা হিসাবে বার্ষিক মোট ৬,০০০ টাকা পান। এই অর্থ তিনটি কিস্তিতে সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়, যেখানে প্রতিটি কিস্তিতে ২,০০০ টাকা থাকে। কিন্তু শুধুমাত্র পিএম-কিষাণ প্রকল্পে নথিভুক্ত হওয়াই যথেষ্ট নয়। কিস্তি পাওয়ার জন্য কৃষকদের আরও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযোগ
সরকারের মতে, জমিতে বীজ বপন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযোগ এবং ই-কেওয়াইসি (e-KYC) হলো তিনটি প্রধান শর্ত। এই শর্তগুলির মধ্যে যেকোনো একটি পূরণ করতে ব্যর্থ হলে কিস্তির টাকা পেতে দেরি হতে পারে।
জমিতে বীজ বপন সম্পন্ন হয়নি
১. জমিতে বীজ বপন সম্পন্ন হয়নি
কিস্তি পেতে দেরি হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে জমিতে বীজ বপন। সহজ কথায়, পিএম-কিষাণ প্রকল্পের নথিতে কৃষকের জমির তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত এবং যাচাই করা আবশ্যক।
জমির রেকর্ড আপডেট
জমির রেকর্ড আপডেট করা না থাকলে বা প্রকল্পের রেকর্ডে জমি-সংক্রান্ত তথ্য অসম্পূর্ণ থাকলে, কৃষকের কিস্তির টাকা পাওয়া ব্যাহত হতে পারে। সরকার এও স্পষ্ট করেছে যে, পিএম-কিষাণ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য জমিতে বীজ বপন করা একটি আবশ্যক শর্ত।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার লিঙ্ক করা নেই
আরেকটি প্রধান কারণ হতে পারে আধার এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক না থাকা। পিএম-কিষাণ প্রকল্পের তহবিল ডিবিটি (ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার)-এর মাধ্যমে আধার-লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক না করলে
যদি কোনও কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা না থাকে, তাহলে কিস্তির টাকা পেতে দেরি হতে পারে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, সরকার লোকসভাকে জানিয়েছিল যে ৩০,১৮,৩৬১ জন কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আধার সংযুক্ত করার কাজ বাকি ছিল। এদের মধ্যে ১০.৪৪ লক্ষেরও বেশি ছিলেন উত্তর প্রদেশের এবং প্রায় ১.৩৯ লক্ষ ছিলেন বিহারের।
ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ নয়
কিস্তি পেতে দেরি হওয়ার তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো অসম্পূর্ণ ই-কেওয়াইসি। সরকার পিএম-কিষাণ সুবিধাভোগীদের জন্য ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করেছে। কৃষকরা পিএম-কিষাণ ওয়েবসাইটে ওটিপি-র মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে পারেন। বায়োমেট্রিক এবং ফেস অথেন্টিকেশনও উপলব্ধ আছে। অনলাইন ই-কেওয়াইসি নিয়ে কোনো সমস্যা হলে, আপনি নিকটতম সিএসসি কেন্দ্র থেকে সহায়তা নিতে পারেন।
এইসব কারণে কতজন কৃষকের পেমেন্ট আটকে গিয়েছিল?
সংসদে সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করার কারণে জমি বীজ বপন সংক্রান্ত ১৬৫২,৩৭৯ জন সুবিধাভোগী, আধার-ব্যাঙ্ক বীজ বপন সংক্রান্ত ২৩৫৩,৭৪৮ জন সুবিধাভোগী এবং ই-কেওয়াইসি সংক্রান্ত ৩২৯৪,৬০৯ জন সুবিধাভোগীর পেমেন্ট প্রভাবিত হয়েছিল। এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে শুধুমাত্র পিএম-কিষাণে নিবন্ধন করাই যথেষ্ট নয়। কৃষকদের অবশ্যই তাদের রেকর্ড বজায় রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় যাচাইকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে।
আপনার স্ট্যাটাস চেক করুন
যদি কোনো কিস্তি না এসে থাকে, তাহলে এইভাবে আপনার স্ট্যাটাস চেক করুন:
যদি আপনার ₹২,০০০ টাকার পিএম-কিষাণ কিস্তি না এসে থাকে, তাহলে প্রথমে আপনার স্ট্যাটাস চেক করুন। অফিসিয়াল পিএম-কিষাণ পোর্টালে 'নো ইয়োর স্ট্যাটাস' (Know Your Status) অপশনের মাধ্যমে পেমেন্টের তথ্য দেখা যাবে। এখানে কৃষকরা পেমেন্টের স্ট্যাটাস, ব্যাঙ্কের নাম, UTR নম্বর এবং অ্যাকাউন্টে টাকা জমার তারিখের মতো তথ্য দেখতে পারবেন।
এই সব কাজগুলি সেরে ফেলুন
এছাড়াও, ই-কেওয়াইসি (e-KYC), আধার-ব্যাঙ্ক লিঙ্কিং এবং জমিতে বীজ বপনের স্ট্যাটাস অবশ্যই চেক করুন। যদি এই প্রক্রিয়াগুলির কোনোটি অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে ভবিষ্যতের কিস্তি নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলি সম্পূর্ণ করুন।

